Breaking News
Home >> Breaking News >> শহর বর্ধমানে ক্লাবের দাবি  মত তোলা না দেওয়ায় এক শিক্ষককের বাড়ির দেওয়ালে কালি

শহর বর্ধমানে ক্লাবের দাবি  মত তোলা না দেওয়ায় এক শিক্ষককের বাড়ির দেওয়ালে কালি

সুপ্রকাশ চৌধুরী,স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট,বর্ধমান: ক্লাবের দাবি  মত তোলা না দেওয়ায় এক শিক্ষককের বাড়ির দেওয়ালে কালি ছেটানোর অভিযোগ উঠলো বর্ধমানের নীলপুরে। বছর তিনেক আগে বর্ধমান শহরের নীলপুর এলাকায় সেন্ট জেভিয়ার্স রোডে বালিডাঙার কাছে একটি পুরনো বাড়ি কেনেন শিক্ষক তন্ময় কর ।তিনি পূর্ব বর্ধমানের রায়নার একলক্ষী স্কুলের শিক্ষক। বাড়ি কেনার পর  স্থানীয় সপ্তরথী ক্লাব থেকে তার কাছে আড়াই লক্ষ টাকা দাবী করা হয় । তিনি জানান এত বিশাল পরিমাণ টাকা তাঁর পক্ষ দেওয়া সম্ভব নয় ।তবে ক্লাবে পিকনিকের জন্য কিছু টাকা দিতে রাজি হন ।এই নিয়ে সেই সময় ক্লাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শিক্ষক তন্ময় করের একপ্রস্ত বৈঠক হয়। তবে তিনি টাকা না দিলেও বিষয়টি সেই সময় মিটে যায় ।অভিযোগ শুক্রবার বিকালে সপ্তরথী ক্লাবের সম্পাদক সন্তোষ রায় তার দলবল নিয়ে তনম্য় বাবুর বাড়িতে যান এবং বকেয়া ডোনেশানের টাকা দাবী করে। সেই সময় ক্লাবের সম্পাদক  সহ বাকী সদস্যদের তিনি  জানান আগের কমিটির সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল তা মিটে গেছে আমরা নতুন করে আর ডোনেশান দিতে পারব না ।কিন্তু এই কথা শোনার পরই তারা তন্ময় বাবু ও তার পরিবারকে হুমকী দিয়ে বলে এর পরিনাম কিন্তু খারাপ হবে । শনিবার সকালে তন্ময় বাবুর স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার রান্না ঘরে রঙ ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে এমন কি ঘরের বিভিন্ন দেওযালেও রঙ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে ।তন্ময় বাবু জানান বিগত তিন বছর ক্লাবের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভীষণ ভালো বিভিন্ন বিষয়ে তারা আমার কাছে এসেছে চাঁদাও নিয়েছে কিন্তু হঠাৎ করে তিন বছর পর কি হল বুঝতে পারছি না ।বিষয়টি তিনি সঙ্গে  সঙ্গে স্থানীয় কাউন্সিলার পম্পা পাল ও তার  স্বামী অনন্ত পালকে জানান। একই সঙ্গে বর্ধমান থানাতেও লিখিত অভিযোগ করেন ।এই ব্যাপারে  স্থানীয় কাউন্সিলার পম্পা পালের   স্বামী অনন্ত পাল জানান গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে ।

loading...

এছাড়াও চেক করুন

প্রবল জলোচ্ছাস মন্দারমনি, তাজপুর, শংকরপুরে

নিজস্ব সংবাদদাতা,মন্দারমনি: শনিবার রাত থেকে সমুদ্র ছিলো উত্তাল। রবিবার সকাল থেকে জলধা,তাজপুর,শংকরপুর,মন্দারমনিতে মেরিন ড্রাইভ উপচে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.