Breaking News
Home >> Breaking News >> ফের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে উত্তাল রাজ্য বিজেপির সদর দফতর

ফের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে উত্তাল রাজ্য বিজেপির সদর দফতর

স্টিং নিউজ সার্ভিস, দক্ষিণ ২৪ পরগণাঃ দলের মধ্যে চলছে স্বজন পোষণ। নিজের পছন্দের ব্যক্তিদের দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাচ্ছেন জেলা সভাপতি। নবাগতদের দাপ্টে ক্রমশ গুরুত্ব হারাচ্ছেন দলের পুরনো সময়ের কর্মীরা। এতে সার্বিকভাবে দলের বড় ক্ষতি হচ্ছে।

এই অভিযোগ তুলে রবিবার রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে বিক্ষভ দেখাল একদল বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী। বিক্ষোভকারীদের সকলেই দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা বিজেপির কর্মী। তাঁদের যাবতীয় ক্ষোভ জেলা সভাপতি অভিজিৎ দাস ওরফে ববি-র উপরে। জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ সম্বলিত ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছে রাজ্য দফতরে।

এদিন বিকেলে দক্ষিণ ২৪ পরগণা (পশ্চিম) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে বিজেপি নেতা রাজা বসু এবং সিদ্ধার্থ বসুর নেতৃত্বে প্রায় (১০,০০০) দশহাজার নেতা কর্মী রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এর কাছে ডেপুটেশন জমা দেন এবং রাজ্য সদর দফতরে ববি হাটাও,বিজেপি বাঁচাও স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখান । তাঁদের অভিযোগ, জেলা সভাপতি অভিজিৎ দাস (ববি) একজন দূর্নিতীগ্রস্ত নেতা, স্বজন পোষণ করে ঘুষ নিয়ে মণ্ডল কমিটি গঠন করেছেন। ইলেকশনের বদলে নবাগতদের সিলেকশন করেছেন। যার কারণে মণ্ডল সভাপতির পদে বসেছেন অনেক নবাগত সদস্য।

আর এখানেই বেজায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন পুরনো বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল থেকে আসা ব্যক্তিদের দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যার কারণে গুরুতে হারাচ্ছেন পুরনো কর্মীরা। কিন্তু এই সকল পুরনো কর্মীরা একসময়ে দলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে গিয়েছেন। জেলা সভাপতির এ হেন ক্রিয়াকলাপে ৫০ হাজারেরও বেশি সক্রিয় কর্মী বসে গিয়েছেন।

প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় যদি ১০ হাজার করে কর্মী বসে যান তাহলে দলের অবস্থা বেহাল হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মহেশতলা এলাকার প্রাক্তন বিজেপি নেতা সন্তোষ কুমার। এক সময়ে জেলার গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকলেও লোকসভা নির্বাচনের টিকিট না মেলায় তিনি শিবসেনার টিকিটে লড়াই করেন। এদিনের বিক্ষোভে তিনিও সামিল ছিলেন। তাঁর কথায়, “আমি অন্য দলের হয়ে লড়াই করলেও বিজেপি কর্মীদের সাহায্য করেছি। এখন মনে প্রাণে চায় যে বিজেপি সাফল্য লাভ করুক।”

এদিনের ডেপুটেশনে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার সভাপতি অভিজিৎ দাসকে বহিষ্কারের দাবি করা হয়েছে। এবং একজন স্বচ্ছ ভাবমূর্তি পূর্ণ,সংঘ ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি কে জেলা সভাপতির দায়িত্ব দিতে হবে ৷ অন্যথায় আগামী দিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
জেলার বিক্ষুব্ধ নেতৃত্বরা একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেন, অভিজিৎ দাসের পিছনে রাজ্য কমিটির একাধিক সদস্যের মদত রয়েছে ৷ বিগত দিনগুলিতে এবিষয়ে একাধিকবার জানানো সত্ত্বেও রাজ্য কমিটি কোনোরুপ ব্যবস্থা নেয়নি ৷
তারাবলেন জেলা সভাপতি অভিজিৎ দাস ওরফে ববির সরাসরি তৃণমূলের সাথে যোগ রয়েছে! তাই এইজেলায় বিগত নির্বাচন গুলিতে বিজেপির হাওয়া থাকা সত্ত্বেও জয় লাভ করতে পারেনি।

এছাড়াও চেক করুন

ফাঁসিদেওয়ার মুণি চা বাগানে গণ বিবাহ অনুষ্ঠানে হাজির পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব

বিশ্বজিৎ সরকার, স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট, দার্জিলিংঃ শুক্রবার শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়া ব্লকের মুণি চা বাগানে শ্রীহরি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.