Breaking News
Home >> Breaking News >> শহরে বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা, গ্রামে পথে নেমে প্রতিরোধে কন্যাশ্রী’রা

শহরে বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা, গ্রামে পথে নেমে প্রতিরোধে কন্যাশ্রী’রা

কল্যাণ অধিকারী, স্টিং নিউজ, হাওড়াঃ হাওড়ায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৪। ইতিমধ্যে বহু ওয়ার্ড আক্রান্ত। হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন ডেঙ্গি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শহরের ছোঁয়া গ্রামের দিকে যাতে না পড়ে এবার পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে সচেতনতায় পথে নামল স্কুলের কন্যাশ্রীরা।

শিশুর জ্বর যদি ৩-৪ দিনেও না কমার লক্ষণ দেখেন, তাহলে সরকারি হাসপাতালে শিশুকে নিয়ে যান। শিশুর শরীরে ডেঙ্গি উপসর্গ রয়েছে কিনা রক্ত পরীক্ষার মধ্য দিয়ে জেনে নিন। ডেঙ্গি রোগ পতিহত করতে এলাকায় এডিস মশার বাসস্থান ধ্বংস করতে হবে। বাড়ির আশপাশের স্থানগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বাড়ির কোথাও কোনভাবে জল জমে না থাকে। এভাবেই বুধবার গ্রামীণ হাওড়ার খালনা এলাকায় সচেতনতার বার্তা দিল খালনা বালিকা বিদ্যামন্দিরের ‘কন্যাশ্রী’রা।

স্কুলের স্কাই ব্লু রঙের পোশাকে হাতে গ্লাভস ও মুখে মাস্ক লাগিয়ে কন্যাশ্রীরা খালনা বাজার সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন জায়াগায় ব্লিচিং ছড়ায়। একিসঙ্গে জনসচেতনতার পাঠ পড়ান। রাতে মশার কয়েলের বিকল্প হিসাবে মশারির ভিতরে শোওয়া। নবজাতককে কখনওই মশারির বাইরে রাখা যাবে না। সরকারি হাসপাতালে রক্তের পরীক্ষা করাতে হবে। ডেঙ্গি রোখার বিষয় আমতা ২নং পঞ্চায়েত সমিতির এমন অভিনব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার মানুষ। মিনতি রায় নামে এক মহিলার প্রশ্ন ছিল, মায়ের শরীরে ডেঙ্গি রোগের উপসর্গ থাকলে শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো যাবে কি ? প্রশ্নের জবাবে কন্যাশ্রীদের প্রতিনিধি জানান, শিশুর শরীরে বুকের দুধের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করে না। বুকের দুধ খাওয়াতে পারবেন।

আমতা ২নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকান্ত পাল জানান, চলতি মাস ডেঙ্গির জন্য বিপদজনক। এই লক্ষ্যে ডেঙ্গি সচেতনতা নিয়ে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যারমধ্যে রয়েছে আশা কর্মীদের দিয়ে ডোর টু ডোর ভিজিট। এতে করে গ্রামের কোন বাড়িতে জ্বর নিয়ে রোগী রয়েছে কি জানা যাবে। এছাড়া ধোঁয়া মেশিন এনে মশার লার্ভা নষ্ট করা। সমস্ত পঞ্চায়েতে এই বিষয় জানানো হয়েছে। এলাকায় ব্লিচিং পাউডার দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। এছাড়া জন প্রতিনিধিদের রাস্তায় নেমে প্রচার করতে বলা হয়েছে।

শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক শিবানী চ্যাটার্জী জানান, স্কুল পড়ুয়াদের ডেঙ্গি আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। বাড়ির আশেপাশে জমা জল না থাকলেও স্কুলের আশেপাশে জমা জলে মশার বংশ থাকে। ওখান থেকে উপসর্গ নিয়ে বাড়ি ফেরে। শিশুর জ্বর দু দিনের বেশি হলে, খিদে না থাকলে প্রথমেই সরকারি হাসপাতালে পৌঁছে চিকিৎসা শুরু করাটা জরুরী। ১০২ ছাড়িয়েও যেতে পারে ডেঙ্গি জ্বরের তাপমাত্রা। এক্ষেত্রে গায়ে র‍্যাশ বের হতেও পারে।

এলাকার বাসিন্দারা স্কুলের কন্যাশ্রীদের কাছ থেকে ডেঙ্গি বিষয় একাধিক পাঠ নেয়। বাড়ির পাশে আবর্জনা পরিষ্কার এবং পুকুরে জমে থাকা জঞ্জাল সরিয়ে সুস্থ পরিবেশ ও মশার লার্ভা নিধন করবার প্রতিশ্রুতি দেন।

এছাড়াও চেক করুন

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে আত্মহত্যা করলেন এক স্কুল শিক্ষক

বিশ্বজিৎ মন্ডল, স্টিং নিউজ, মালদাঃ পারিবারিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.