Breaking News
Home >> Breaking News >> কেঞ্জাকুড়া গ্রামের প্রাচীন ঐতিহ্যপূর্ণ কাঁসা-শিল্প লুপ্তের মুখে

কেঞ্জাকুড়া গ্রামের প্রাচীন ঐতিহ্যপূর্ণ কাঁসা-শিল্প লুপ্তের মুখে

নরেশ ভকত, স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট, বাঁকুড়াঃ, বাঁকুড়ার কেঞ্জাকুরা ঐতিহ্যপূর্ণ কাঁসা-শিল্প লুপ্তের পথে এগিয়ে চলছে। এই কাঁসা শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মানুষেরা বংশপরম্পরার এই পেশার সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

কাঁসা গলিয়ে নানা ধরনের থালা, বাটি, গ্লাস,জামবাটি নানা ধরনের জিনিসপত্র শিল্পীদের হাতে তৈরি হয়ে নতুন আকার ধারণ করে। কলসি, থালা, বাটি বালতি ইত্যাদি কাঁসার এইসব জিনিসপত্র গ্রামবাংলার বিয়েবাড়িতে এখনো প্রয়োজন হয়।এমন কি ঠাকুরের পুজোতে ব্যবহার হয়।

স্টিলের বাসনপত্র বাজারে আসার কারণে কাঁসার চল অনেকটাই কমেছে। কিন্তু কাঁসার জিনিসের যে ঐতিহ্য তা আজও গুরুত্ব পায় পুজো আর বিয়েবাড়িতে।

এই শিল্পের সঙ্গে আগে জড়িয়ে ছিল ৫০০ ইউনিট।কিন্তু ধীরে ধীরে সেই ইউনিট কমে দাড়িয়েছে ৩৫০ ইউনিটে। এই গ্রামে রয়েছে প্রায় ৩০০ পরিবার এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু এরা যে পরিমাণে পরিশ্রম করে সেই অনুযায়ী মূল্য পায়না। ফলে অনেকেই এই রাজ্য ছেড়ে অন্য রাজ্যে চলে যায়। কাঁসা-শিল্প রাজ্য ছাড়িয়ে ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত।

শিল্পীরা জানান এই শিল্প ধীরে ধীরে লুপ্তপ্রায় হতে চলেছে।কাঁচা মালের দাম অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় তাদের বিক্রি বাটা অনেক কমে গেছে। কাঁচা মাল রপ্তানির ক্ষেত্রে তাদের পুলিশের হয়রানির হাতে পড়তে হয়।রাজ্য সরকার একবারও সাহায্যের হাত বারিয়ে দেয়নি। অনেক বার রাজ্য সরকারকে জানিয়েছি কোনো আর্থিক সহায়তা মেলেনি।

হাপরশালায় গলিয়ে মাটির ছাঁচে ঢেলে শিল্পীরা হাতে তৈরি করে বিভিন্ন জিনিসপত্র। একটি হাঁপরশালায় একবারে ৬টি জামবাটি তৈরি হতে পারে। তার জন্য সময় লাগে ৩ দিন। শিল্পীরা যদি নিজেরা কাঁচামাল দিয়ে জিনিসপত্র তৈরি করে বাজারে জোগান দিতে পারতেন, তাহলে তাঁরা একটু বেশি পয়সার লাভ করতে পারবে। কাঁসা শিল্পের ওপর সরকার যদি একটু নজর দেয়, তাহলে এই শিল্প এবং শিল্পীরা নতুন করে বাঁচার পথ খুঁজে পারে।

এছাড়াও চেক করুন

মালদায় পুলিশ ফাঁড়িতে আগুন উত্তেজিত জনতার

স্টিং নিউজ সার্ভিস,মালদা: পুলিশের মারে আটক ব্যাক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পুলিশ ফাঁড়িতে আগুন উত্তেজিত জনতার।রবিবার …

Leave a Reply

Your email address will not be published.