Breaking News
Home >> Breaking News >> ‘শিক্ষারত্ন পুরস্কার’ পেলেন আউশগ্রামের শিক্ষক ড: শেখ সামসুল আলম

‘শিক্ষারত্ন পুরস্কার’ পেলেন আউশগ্রামের শিক্ষক ড: শেখ সামসুল আলম

নিজস্ব সংবাদদাতা, আউশগ্রাম: শিক্ষারত্ন পুরস্কার পেলেন আউশগ্রামের সিলুট বসন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিতের শিক্ষক ড: শেখ সামসুল আলম। পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষা দপ্তর এবছর সামসুল আলমকে শিক্ষারত্ন পুরস্কারের জন্য মনোনীত করে। তারপর বৃহস্পতিবার শিক্ষক দিবসের দিন কলকাতার নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী তার হাতে তুলে দেন ‘শিক্ষারত্ন পুরস্কার’।
জানা গিয়েছে, ১৯৯৭ সালে সামসুল আলম সিলুট বসন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে গণিত বিষয়ের শিক্ষক হিসাবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর সুদীর্ঘ দিন ধরে একজন আদর্শ শিক্ষক হিসাবে তিনি ওই বিদ্যালয়ের অগণিত ছাত্র ছাত্রীর মনে জায়গা করে নিয়েছেন। আউশগ্রামের ভেদিয়া অঞ্চলের আওগ্রামে বাড়ি সামসুল আলমের। গণিত বিষয়ে তার অসামান্য জ্ঞান। বিদেশেও তার গণিত বিষয়ের গবেষণা খুবই সমাদৃত। সেজন‍্য ডাক পেয়েছেন নানান দেশ থেকে। তার শতাধিক গবেষণাপত্র রয়েছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে গণিতের ওপর একাধিক পুরস্কারও লাভ করেছেন। ২০১৭ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কংগ্রেসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় হতে গণিতে ‘বেস্ট পেপার প্রেজেন্টেশন’ আ্যওয়ার্ড পান। ওই বছরেই তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুরে ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইন্টারপ্রিনিয়রশিপ ডেভেলপমেন্ট হতে ‘আউটস্ট্যান্ডিং এডুকেটর’ আ্যওয়ার্ড পান এবং তেলেঙ্গানায় আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে দেওয়া হয়েছিল আন্তর্জাতিক পুরস্কার ‘ম্যাথ জিনিয়াস আ্যওয়ার্ড-২০১৭’। তার একবছর আগে আধুনিক গণিত অন্বেষা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য গণিত উৎসবে শিক্ষক আলমকে বাংলা ভাষায় গণিত শিক্ষার উপর প্রবন্ধ লেখার জন্য বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। ২০১৮ সালে ব্যাঙ্গালোরে প্রফেসর সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন এবং জহরলাল নেহেরু সেন্টার ফর এডভান্স সায়েন্টিফিক রিসার্চ হতে ‘আউটস্ট্যান্ডিং সায়েন্স টিচার্স প্রাইজ’ পেয়েছেন। তাছাড়া জার্মানীর একটি প্রকাশনা সংস্থা তাদের নিজস্ব আগ্রহে সামসুল আলমের গবেষণা, গ্রন্থটি তিনটি খন্ডে বইয়ের আকারে প্রকাশ করেছে। এছাড়াও একাধিক পুরস্কার লাভ করেছেন সামসুল আলম। এবার তার ঝুলিতে নতুন পালক হিসাবে যোগ হল ‘শিক্ষারত্ন পুরস্কার’।

গণিত বিষয়ের ওপর পড়ুয়াদের আগ্রহ বাড়াতে ও ভীতি দূর করতে বিভিন্ন পন্থা বেছে নিয়েছেন সামসুলবাবু। চক ডাস্টারের পাশাপাশি হাতে-কলমে বিভিন্ন মডেল তৈরি করে, সেইসব মডেলের মাধ্যমে পড়ুয়াদের খেলাচ্ছলে অঙ্ক শেখানোর পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন সামসুল আলম। শিক্ষক সামসুল আলম বলেন, ছাত্র ছাত্রী ও স্কুলই আমার জীবন। সবসময় পড়ুয়াদের অঙ্কের ভয় দুর করতে চেষ্টা করি। তবে মুখ‍্যমন্ত্রীর হাত থেকে ‘শিক্ষারত্ন পুরস্কার’ পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ। সামসুলবাবুর এই পুরস্কার পাওয়ায় খুশি তার সহকর্মী থেকে বিদ‍্যালয়ের পড়ুয়ারা। স্থানীয়দেরও দাবি, একজন যোগ্য শিক্ষকই এই পুরস্কার পেয়েছেন।

এছাড়াও চেক করুন

দিনহাটায় খোঁজ মিলল বেআইনি বোমা কারখানার, গ্রেপ্তার ১

মনিরুল হক, স্টিং নিউজ, কোচবিহারঃ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বোমা তৈরির সরঞ্জাম সহ এক ব্যক্তিকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.