Breaking News
Home >> Breaking News >> ফের জল অপচয় বন্ধ করার জন্য কাটোয়ায় প্রচার পথে স্বপন বাউল

ফের জল অপচয় বন্ধ করার জন্য কাটোয়ায় প্রচার পথে স্বপন বাউল

গৌরনাথ চক্রবর্ত্তী, পূর্ব বর্ধমান: কোনও স্ট্যান্ডে কল নেই, আবার কোনও রির্জাভার থেকে অনবরত জল পড়তেই থাকে। শুধু রাস্তাতেই নয়, বাড়িতেও নানা ভাবে চলছে জলের অপচয়। তীব্র জল সংকটে জেরবার।

চেন্নাই সহ দেশের প্রথম সারির কয়েকটি শহর। এই সংকটের মূহুর্তে জল সংরক্ষণের দাবিতে একাধিক কর্মসূচি নিয়ে এবার পথে নেমেছেন বর্ধমানের স্বপন দত্ত বাউল । এই প্রচারের মাধ্যমে জল সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা ও জলের অপচয় রোধ সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করছেন তিনি । পথে নেমে প্রচারের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াকেও ব‍্যবহার করছেন । ভূগর্ভস্থ জলের পরিমাণ কিভাবে বাড়ানো সম্ভব সে বিষয়কেও মানুষকে সচেতন করছেন তিনি ।

এ কাজে আর্থিক উপার্জনের যে কোনও সম্ভাবনা নেই , স্বপন বাউল তা ভালোই জানতেন৷ সে চিন্তায় কোনোদিন কান দেননি৷ বাউল গান আর নিজের জেলার প্রতি ভালোবাসা থেকেই ঘুরে বেড়িয়েছেন বর্ধমানের কাটোয়া শহরের পথে পথে৷ কাটোয়া শহরে রেলস্টেশনে,বাসস্ট্যাণ্ডে, কোর্ট চত্বরে, মহকুমাশাসকের অফিস চত্বরে ও জনবহুল এলাকায় মানুষগুলোকেও স্বপন বাউল বোঝাচ্ছেন ।

গানের জন্যই সরকারি স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি ৷ তাই কোনও পারিশ্রমিক ছাড়াই এই প্রচার করেন ৷ বাউল গানের পাশাপাশি আরও একটি নেশা রয়েছে স্বপন দত্তের ৷ যতটা সুন্দর তিনি গান করেন , ঠিক ততটাই দক্ষতার সঙ্গে ম্যাজিকও দেখান৷ ম্যাজিক দেখানোর জন্য মাঝে মধ্যে ডাক পান বর্ধমানের এদিক , ওদিক থেকে ৷ তবে এই জল সংকটের -বাজারে আপাতত বন্ধ রয়েছে সে সব৷ স্বপন বাউলের কাজে খুশি সকল মানুষ ৷এ ভাবে সবাইকে জল অপচয় বন্ধ করার জন্য উনি যেভাবে এই গরমে গান গেয়ে প্রচার করছেন , সেটা সত্যি প্রশংসনীয়৷

তাই রাজ্যের জেলায় জেলায়এবারে বাউল গানে সচেতন বিষয় দিয়েছেন ১. জল অপচয় বন্ধ করতে হবে , পানীয় জল কে রক্ষা করতে হবে। ২.গাছ লাগান গাছ বাঁচান গাছ কাটা বন্ধ করুন গাছের অভাবে বায়ুমন্ডল দূষণে ভরে গেছে বৃষ্টি কমে গেছে গাছ লাগান প্রচুর পরিমানে তা না হলে বৃষ্টি হবে না । ৩.. দূষণ মুক্ত পৃথিবী চাই সকলে দূষণ মুক্ত পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার করুন । এই বিষয় গুলি নিয়ে স্বপন বাউল গানে সারা রাজ্যে নিঃস্বার্থ সচেতন করতে পথে নেমেছে । পানীয় জলের সংকট এখন বিরাট সমস্যা সারা দেশে । মাটির নিচে জল নাই জল স্তর কমে যাচ্ছে। পানীয় জল সব জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে না । দেশে গাছ গাছালি সব জায়গাতেই কেটে ফেলা হচ্ছে যে পরিমানে ঠিক সেই পরিমানে গাছ লাগানো হচ্ছে না ।

গাছের বড় অভাবে পৃথিবী ও আমাদের দেশ দূষণ এ ভরে গেছে তাই আকাশে বৃষ্টি কমে গেছে। সরকার আর জনগণ প্রচুর পরিমানে জল অপচয় করে নানা ভাবে ।কিন্তূ জল কে ধরে রাখার মত দেশে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই সারা রাজ্যে বা দেশে । তাই ভুগর্ভে জল কমে গেলে সমুদ্রের লবণাক্ত জল ঢুকে পড়বে এবং সেই জল পরে মানুষের ব্যাবহারে আর্সেনিক রোগে ভরে যাবে নানান অসুবিধা হবে । যেমন জলের আর একনাম জীবন তেমনি একটি গাছ একটি প্রাণ ।

সুতরাং দেশের সরকারকে বেশি করে ভাবতে হবে আর দেশের জনগণ কে একসঙ্গে সচেতন হতে হবে তবেই জল অপচয় বন্ধ হবে। জল জীবন ধারণের এক মৌলিক চাহিদা৷ পরিবেশ সুরক্ষার এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ৷মানব সভ্যতার ভবিষ্যত নির্ভর করছে জলের ব্যবহারের ওপর৷ অথচ মিষ্টি জলের উৎস ক্রমশ ক্ষীয়মাণ৷ একদিকে পৃথিবী থেকে মিষ্টি জলের উৎস কমে আসছে, অন্যদিকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চাহিদা বেড়ে চলেছে৷ আগামী ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেক বা দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ পড়বে তীব্র জল সংকটের মুখে, যদি না জলের অপচয় রোধ করা যায়৷

এছাড়াও চেক করুন

মাদারিহাটে জাতীয় সড়কের উপর পথ দুর্ঘটনায় আহত চালক

স্টিং নিউজ সার্ভিস: পথ দুর্ঘটনা আহত চালক। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল গভীর রাতে মাদারিহাটে ৩১ নং …

Leave a Reply

Your email address will not be published.