Breaking News
Home >> Breaking News >> রূপসী বাংলা পুরস্কার আন্তর্জাতিক মানের সাহিত্যানুষ্ঠান হল মেছেদায়

রূপসী বাংলা পুরস্কার আন্তর্জাতিক মানের সাহিত্যানুষ্ঠান হল মেছেদায়

নিজস্ব প্রতিবেদন,মেছেদাঃ কবি জীবনানন্দ দাসের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাতে গত ২০০৭ সাল থেকে পথ চলা শুরু হয় পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের প্রত্যন্ত গ্রাম শিবরামপুর গ্রাম থেকে জীবনানন্দ উৎসব কমিটি নামে একটি সাহিত্যসংস্থা।

স্থানীয় গুটিকতক কবি ও সাহিত্যিকদের নিয়ে বামঘরানার সাহিত্যিক অমৃত মাইতির উদ্যোগে পথচলা শুরু হয়। প্রথম বছর অর্থাৎ ২০০৭ সালে প্রথম এই সংস্থার উদ্যোগে চালুকরা হয় তিন বাংলা অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ,ত্রিপুরা এবং বাংলাদেশের কবি ও সাহিত্যিকদের তাদের সাহিত্যের অবদানের জন্য দেওয়া শুরু হয় জীবনানন্দের প্রতি উৎসর্গীকৃত পুরস্কার রূপসী বাংলা পুরস্কার।

প্রথম বছরই দেওয়া হয় কবি নীরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তীকে।এরপর থেকেই সাহিত্যিক অমৃত মাইতির ব্যবস্থাপনায় প্রতিবছর এই পুরস্কার অনুষ্ঠানটি একপ্রকার আন্তর্জাতিকমানের করার পরিকল্পনা করেন।রূপসী বাংলা পুরস্কার প্রতিবছর চারজন কবি-সাহিত্যিকদের হাতে তুলেদেওয়া হয়।তবে বর্তমানে এই পুরস্কারের সীমারেখা তিন বাংলা ছাড়িয়ে আরো বিস্তৃতি লাভ করেছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ছাড়াও আসাম এমনকি কানাডার বাঙালি কবি সাহিত্যিকদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে এই রূপসী বাংলা পুরস্কার।

এই পুরস্কারপ্রদান অনুষ্ঠানটি বিভিন্ন জায়গায় হয়ে থাকে।কখনও কোলকাতা,কখনও নন্দীগ্রাম আবার কখনও মেছেদায়।মঙ্গলবার সারাদিনধরে অনুষ্ঠিত হলো পূর্ব মেদিনীপুরের মেছেদার পথসাথী অডিটোরিয়াম হলে বছর প্রতিক্ষিত সেই অনুষ্ঠান রূপসী বাংলা পুরস্কার।তবে এদিন ২০১৮ ও ২০১৯ সালের মনোনীত মোট ১১ জন কবি সাতিত্যিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয় পুরস্কার।২০১৮ সালে মনোনীত কবি ও সাহিত্যিকদের মধ্যেছিলেন কানাডার বাঙালি সাহিত্যিক জিয়াউল হক জিয়া এবং মহিলা কবি শামসাদ রানা।

এই দুইজন সাহিত্যিক সুদুর কানাডায় বসে বাংলাসাহিত্যকে বিদেশে সমান প্রাসঙ্গিক করে তুলে ধরতে আপ্রান প্রয়াস করে চলেছেন।এই দুজন সাহিত্যিক নিজেদের বাংলা সাহিত্য চর্চা ছাড়াও ২১ শে ফেব্রুয়ারী কানাডায় চালুকরেছেন বইমেলা।বহু বাঙালী কবি সাহিত্যিক বিভিন্নদেশ থেকে উড়েযান কানাডায়।দেওয়া হয় সন্মাননাও।এছাড়াও এদিন ত্রিপুরার কবি ও সাহিত্যিক কৃত্তিবাস চক্রবর্তী ও শশাঙ্ক শেখর অধিকারীকে এবং এই বাংলার পবিত্র মুখোপাধ্যায়,সাহিত্যিক ও কবি রতনতনু ঘাঁটীকে তুলে দেওয়া হয় ২০১৮ র রূপসী বাংলা পুরস্কার।

এছাড়া ২০১৯ সালের মনোনীত পুরস্কারপ্রাপকেরা হলেন বাংলাদেশের কবি ও বাচিক শিল্পী শিমূল পারভীন,ত্রিপুরার কবি রামেশ্বর ভট্টাচার্য,এই রাজ্যের কবি ও সাহিত্যিক মহাদেব চক্রবর্তী,ড. রীতা দে ও অশোক বাগকে রাপসী বাংলা ২০১৯ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।প্রত্যেক কবি সাহিত্যিকেরা জানান,জীবনানন্দ দাশের নামে উৎসর্গীকৃত পুরস্কার পেয়ে যেমন খুশি পাশাপাশি আগামীদিনে আরো ভালো লেখার উৎসাহ যোগাবে এই পুরস্কার।এদিন সারাদিনধরে পুরস্কার অনুষ্ঠান ছাড়াও চলে জীবনানন্দের ওপর গান,নাচ ও আবৃত্তি।সবমিলিয়ে চার বাংলা যেন কিছুক্ষনের জন্য মিলেমিশে এক হয়েগিয়েছিলো।

এদিন এই রূপসী বাংলা পুরস্কারের পাশাপাশি মহিলা চার কবি সাহিত্যিকদের দেওয়া হয় অক্ষরকর্মী পুরস্কার।এই পুরস্কার পান বাংলাদেশের সালমা বেগ,মঞ্জির বাগ,পুষ্প সাঁতরা,বনশ্রী রায় দাস। সবমিলিয়ে রীতিমতো জমজমাট ছিলো এই আন্তর্জাতিকমানের সাহিত্যানুষ্ঠান।

এছাড়াও চেক করুন

মূল‍্যবান ৫ কেজি কিরাজরি ছত্রাক সহ তিনজন ভূটানের নাগরিক গ্ৰেপ্তার

স্টিং নিউজ সার্ভিস: এস এস বি ৫৩ ব‍্যাটালিয়ানের জওয়ান ও বনদপ্তরের হ‍্যামিলণ্টণ গঞ্জের বনকর্মীরা যৌথ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.