Breaking News
Home >> Breaking News >> বারাসাতে বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতা অরবিন্দ মেনন আক্রান্ত

বারাসাতে বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতা অরবিন্দ মেনন আক্রান্ত

স্টিং নিউজ সার্ভিস: বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতা অরবিন্দ মেনন বারাসাতে আক্রান্ত। অভিযোগ তৃণমূলী দুস্কৃতিরা অরবিন্দ মেননের গাড়ি সহ পাঁচটি গাড়ি ভাংচুর করে । তৃণমূলের অভিযোগ এই গাড়ি গুলিতে ভোট কেনার জন্য ও দাঙ্গা বাঁধানোর উদ্দ্যেশ্য নিয়ে অর্থ ও অস্ত্র বাইরে থেকে এসেছিল । অভিযোগকারিণী স্বয়ং বারাসত কেন্দ্রের তৃনমূল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদার ।

বিজেপি রাজ্য নির্বাচনী আহ্বায়ক ও বিজেপি নেতা মুকুল রায় পাল্টা অভিযোগ করেছেন ,এদিনের তাণ্ডব গণতন্ত্রের প্রহসন । তিনি সরাসরি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলেন , মমতা ব্যানার্জীর সঙ্গে কুড়িটি গাড়ির প্রত্যেকটিতে টাকা বোঝাই থাকছে যা তল্লাশি হচ্ছে না । এদিন অরবিন্দ মেননকে পুলিশ কোনোক্রমে তান্ডবকারী দের হাত থেকে উদ্ধার করে বারাসত থানায় নিয়ে আসে । তিন ঘন্টা পরে দোলতলা এলাকাতে অরবিন্দ মেননকে কৈলাস বিজয় বর্গীয়র গাড়িতে তুলে দেওয়া হয় ।

ঘটনার সূত্রপাত বারাসাতের একটি হোটেল থেকে। বারাসাতে টাকী রোডে এই হোটেলে বিজেপির বৈঠক হওয়ার কথা ছিল।সেখানে পুলিশের হানার পর সেই মিটিং বারাসাত পুরসভার সামনে বিজেপি নেতা তুহিন মন্ডলের বাড়িতে আয়োজিত হয়।অভিযোগ এলাকায় অচেনা লোকের ভীড় দেখে জড় হয় তৃনমূল কর্মী ও নেতারা। এরপরেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি । বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা অরবিন্দ মেনন সহ অন্যান্য রা।সেই সময় রাস্তার পাশে পাঁচটি গাড়ি ভাঙ্গচূর করা হয়।অভিযোগ বৈঠক আয়োজক তুহিন মণ্ডলের বাড়িও ভাঙ্গচুর হয়।নিরাপত্তার অভাব বোধ করে অরবিন্দ মেনন বিজেপি নেতৃত্বকে বিষয়টি জানান।

এরপরেই পুলিশ গিয়ে বিজেপির বারাসাত জেলার সভাপতি প্রদীপ ব্যানার্জী ও নেতা তুহিন মন্ডল কে থানায় উদ্ধার করে নিয়ে আসে।ইতিমধ্যেই বারাসাত থানায় তৃনমুল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদার স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে নিয়ে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন ও বিজেপির বিরুদ্ধে স্লোগান তোলেন । কাকলি ঘোষ দস্তিদার বিজেপি নেত্রী মৌসুমী বিশ্বাস ও গুজরাট থেকে আগত রিজ্ঝিম প্যাটেলের বিরুদ্ধে অর্থ দিয়ে ভোট কেনা ও অস্ত্র দিয়ে সাম্প্রদায়িক উস্কানির অভিযোগ আনেন ।

ইতিমধ্যে অভিযোগ ওঠে থানার সামনে বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য তাপস মিত্র কে পুলিশের সামনে তৃণমূল কর্মীরা মারধোর করে ।রাত একটার পরে মুকুল রায় থানায় এসে সমগ্র বিষয় খোঁজ নেন । থানা থেকে বেরিয়ে এসে তিনি জানান , প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ এটাই প্রমাণ করে তৃণমূল হারার ভয় পাচ্ছে । তাই অহেতুক ভিত্তিহীন অভিযোগ । গুজরাত বা বাইরের রাজ্য থেকে কেন কেউ ঢুকতে পারবে না প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন ভারতের যেকোনো প্রান্তে যেকেউ যেতে পারেন অথচ বারাসাত ও উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা জুড়ে জঙ্গলের রাজত্ব চলছে ।

মুকুল রায় জানান , আগমীকাল নির্বাচন কমিশনের কাছে বিষয়টি জানিয়ে বারাসাত থানার আই সি ও জেলার পুলিশ সুপারের অপসারণ চাওয়া হবে ।

তবে এদিনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় সমগ্র ঘটনায় বিজেপির বারাসতের প্রার্থী মৃণাল কান্তি দেবনাথের অনুপস্থিতি ॥

এছাড়াও চেক করুন

মূল‍্যবান ৫ কেজি কিরাজরি ছত্রাক সহ তিনজন ভূটানের নাগরিক গ্ৰেপ্তার

স্টিং নিউজ সার্ভিস: এস এস বি ৫৩ ব‍্যাটালিয়ানের জওয়ান ও বনদপ্তরের হ‍্যামিলণ্টণ গঞ্জের বনকর্মীরা যৌথ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.