Breaking News
Home >> Breaking News >> উলুবেড়িয়া কেন্দ্রে ফলাফলের আগে কি করছেন প্রার্থীরা ??? খোঁজ নিলেন আমাদের প্রতিনিধি

উলুবেড়িয়া কেন্দ্রে ফলাফলের আগে কি করছেন প্রার্থীরা ??? খোঁজ নিলেন আমাদের প্রতিনিধি

কল্যাণ অধিকারী, স্টিং নিউজ, হাওড়া: দেশের বাকি আসনের সঙ্গে উলুবেড়িয়ায় ভোটবাক্স খুলবে ২৩মে। পাড়ার মোড়ে, দলীয় পার্টি অফিসে আলোচনায় কি হবে উলুবেড়িয়া কেন্দ্রে ভোটের ফলাফল। এই লোকসভা কেন্দ্রে মোটের উপর ভোট ছিল সুষ্ঠু ও অবাধ। গড়ে ভোট পড়েছে ৮১.১৬ শতাংশ যা অবাক করেছে প্রার্থীদের। প্রচন্ড রোদে গ্রামের প্রত্যন্ত প্রান্তে ভোট প্রচারের পর শেষে হয়েছে ভোট। কিভাবে সময় কাটছে এই কেন্দ্রের প্রার্থীদের ?

উলুবেড়িয়া লোকসভা আসনে ভোটার সংখ্যা ১৬ লক্ষ ১২ হাজার ২৭৬ জন। জোড়া ফুল, পদ্ম, হাত, কাস্তে হাতুড়ি ও তারা, ট্রাক্টর, জাহাজ, আলমারী, ফুলকপি সহ মট ১০টি চিহ্নের প্রার্থী ছিলেন। প্রার্থীদের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সাজদা আহমেদ, বিজেপির জয় ব্যানার্জী, জাতীয় কংগ্রেস-এর সোমা রানীশ্রী রায়, সিপিআই(এম)-এর মাকসুদা খাতুন। এছাড়া আরও ৬জন প্রার্থী রয়েছেন। যারমধ্যে রয়েছে এসইউসিআই এর মিনতি অধিকারী’র মতো প্রার্থী। শহর ছাড়িয়ে গ্রাম্য এলাকা এমনকি দ্বীপ অঞ্চল বলে পরিচিত ভাটোরা ও চিতনান এলাকাতেও প্রার্থীরা প্রচারে গিয়েছেন। এছাড়া প্রচারে হেভিওয়েট দের মধ্যে এসেছিলেন রাজনাথ সিং, অমিত শাহ, বিপ্লব দেব, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট পরবর্তী সময় প্রার্থীদের মধ্যে খোঁজ মিলল তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সাজদা আহমেদ এবং বিজেপি প্রার্থী জয় ব্যানার্জী এবং মাকসুদা খাতুনের।

উলুবেড়িয়া আসনে বামেদের প্রার্থী ছিলেন কমরেড মাকসুদা খাতুন।২০০৯ সাল অবধি উলুবেড়িয়া লোকসভা আসনে সাংসদ ছিলেন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) দলের কমরেড হান্নান মোল্লা। ভোট প্রচারে বামেদের ঝান্ডা হাতে বহু পুরনো কর্মী সমর্থক মাকসুদা কে সাহায্য করেছেন। কিভাবে প্রার্থী সময় কাটাচ্ছেন ফোন সুইচ অফ থাকায় যোগাযোগ করা যায়নি। তবে প্রার্থী ভোটের শতাংশ দেখে খুশি হয়েছেন। যেভাবে মানুষ ভোট দিয়েছেন তাতে করে হিসাব পালটে যেতে পারে বলেই জানিয়েছেন বাম নেতারা। তাঁদের কথায়, প্রচন্ড রোদে মাকসুদা পায়ে হেঁটে গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিলেন মাকসুদা খাতুন। ভোটের পরেও তিনি দায়িত্বে অবিচল। আমতা বিধানসভার ১৮৪ নং মীরপাড়া প্রাথমিক স্কুলের বুথে এজেন্ট হয়েছিলেন তাজপুর গ্রামের গৃহবধূ তরুলতা বেরা। চোখে চোখে রেখে লড়াই করেছেন। বৃহস্পতিবার মাকসদুা খাতুন তাজপুর গ্রামের গৃহবধূ তরুলতার বাড়িতে দেখা করতে যান। সঙ্গে ছিলেন সি পি আই(এম) এর একাধিক নেতা অপর্ণা পুরকাইত, পরেশ পাল, সন্তোষ অধিকারী। উনি কর্মীদের পাশে রয়েছেন। জেতার ব্যপারে অবশ্যই আশাবাদী।

ভোট শেষ হওয়ার পর কিভাবে সময় কাটছে এই প্রশ্নে বিজেপি প্রার্থী জয় ব্যানার্জী জানান, বাড়িতে রয়েছি। শরীর ভালো না। প্রচন্ড রোদে প্রচারে শরীর টা একটু খারাপ করেছে। ডাক্তার দেখিয়েছি ওষুধ দিয়েছেন। বলেছেন পুষ্টিকর খাবার এবং জল বেশি করে খেতে। আমাকে যেদিন প্রধানমন্ত্রী দপ্তর থেকে জানান হয় উলুবেড়িয়া আসনে প্রার্থী করা হচ্ছে আমাকে অত্যন্ত খুশি হয়েছিলাম। নরেন্দ্র মোদী আমার কাছে রামকৃষ্ণ। আমি ধন্য ওঁনার কাছে। প্রচন্ড কঠিন এই আসনে আমি বুক চিতিয়ে লড়াই দিয়েছি। ওজন অবশ্যই কমেছে। গায়ের রং কালো হয়ে গিয়েছে। জেতার বিষয় দু’শ শতাংশ বিশ্বাস রাখি।

২০০৯ সালে উলুবেড়িয়া লোকসভা আসনে কাস্তে হাতুড়ি ও তারা কে হারিয়ে ফোটে জোড়াফুল। তার ঠিক পাঁচ বছর পরেও একি ভাবে জিতে সাংসদ হন সুলতান আহমেদ। ২০১৭ সালে আকস্মিকভাবে প্রয়াত হন। পরের বছর শুরুতে উপ-নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদে যান সাজদা আহমেদ। এবার উনিশে মার্জিন বজায় রাখার বিষয় কতটা আশাবাদী ? এ বিষয় সাজদা আহমেদ জানান, আপনাকে জানাই ভোট দিয়েছে মা মাটি মানুষ, জেতার বিষয় আমাকে সাহায্য করেছে তাঁরাই। এখানকার মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ভোট দেয়। মার্জিন আশাকরি বজায় থাকবে। কিভাবে সময় কাটছে ? রমজান মাস চলছে রোজা রেখেছি। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটছে। পরিচিতদের সঙ্গে কথা বলছি। কর্মীদের ফোন আসছে তাদের কথা শুনছি। শরীর কতটা সুস্থ আছে? এ প্রশ্নে হাসি দিয়ে জানান, ডাইটিং করবার দরকার নেই আমার প্ররিশ্রম আমাকে সুস্থ রাখে। ভোটের আগে প্রতিটি এলাকায় গেছি মানুষের সাথে মিশেছি। আশাকরি জেতার মার্জিন বজায় থাকবে।

এছাড়াও চেক করুন

শশুর বাড়িতে এসে রহস‍্যজনক ভাবে কুয়োয় পড়ে মৃত্যু হল এক ব্যাক্তির

স্টিং নিউজ সার্ভিস, আলিপুরদুয়ার: শশুর বাড়িতে এসে রহস‍্যজনক ভাবে কুয়োয় পড়ে মৃত্যু হল এক ব‍্যাক্তির। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.