Breaking News
Home >> Breaking News >> হারিয়ে যেতে বসেছে, মৃৎ শিল্পীদের তৈরী বাসনপত্র

হারিয়ে যেতে বসেছে, মৃৎ শিল্পীদের তৈরী বাসনপত্র

শিবশংকর চ্যাটার্জ্জী, দক্ষিন দিনাজপুরঃ
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি থানাখ্যখ এলাকার 3 নং উদয়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাল পাড়া গ্রামে এমনি এক চিত্র দেখা গেল মেশিনের দ্বারা নয় হাত দিয়ে তৈরি হচ্ছে মাটির কলশী সহ মাটির যাবতীয় জিনিস। প্রচীন ঐতিহ্য মাটির কলসি দিন দিন যখন হারিয়ে যাচ্ছে তখন মাটির তৈরী যাবতীয় দ্রব্যাদী তৈরী করে দিন পারি দিচ্ছে এই মৃৎ শিল্পিরা। বর্তমানে ষ্টেনলেস্টিলের যুগে হাড়িয়ে যেতে বসেছে এই মৃৎ শিল্পীদের তৈরী বাসনপত্র। এই পেশা থেকে মুখ ঘুড়িছে অনেকেই। কারণ এখন কদর নেই এই শিল্পের। হাড়ভাংগা পরিশ্রম করে মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বানিয়ে হাটেবাজারে বিক্রি করতে পারেন না এই শিল্পীরা। তাই এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন অনেকেই। তাই এই পেশা এখন পর্যন্ত টিকিয়ে রেখেছেন রমেন বাবু ও এলাকার কটি ঘড়।

পালপাড়া গ্ৰামের বাসিন্দা রমেন পালূত নীজের হাতে তৈরী করছে মাটির কলসি ।এই মাটির কলসিদ্ধান্ত আকারে বড় ও ছোট হয়ে। প্রায়থ দীর্ঘ 60বৎসর ধরে বানিয়ে আসছে রমেন পাল ও তার পরিবার । মেলেনি সরকার সাহায্য পাইনি শিল্পী ভাতা । সরকার সাহায্য পেলে উপকৃত হব বলে জানন এই পরিবার । এই প্রসঙ্গে দীপানী পাল জানান যে এই হাড়ি অনেক দিন বানাচ্ছি হাটে বাজারে বিক্রি করি মাটির কলশি দাম দশ থেকে কুড়ি টাকা হয়েগেছে । সরকারের সাহায্য পেলে উপকৃত হব।

প্রসঙ্গে শিল্পী রমেন পাল জানান যে60 বৎসর ধরে বানাচ্ছি মাটির কলশী হাট বাজারে এবং গ্ৰামে নীয়ে গিয়ে বিক্রি করি। সে রকম মুনাফা হয়ে না। সরকারে সাহায্য পলে আমরা উপকৃত হবো।এই প্রসঙ্গে গীতা পাল জানান যে এর উপর দিয়ে আমাদের সংসার চলে কখনো লাভ হয় কখন লোকসান হয় এই মাটির কলশি বানাতে আমারা সরকারের সাহায্য পেলে উপকৃত হবো।

এছাড়াও চেক করুন

মূল‍্যবান ৫ কেজি কিরাজরি ছত্রাক সহ তিনজন ভূটানের নাগরিক গ্ৰেপ্তার

স্টিং নিউজ সার্ভিস: এস এস বি ৫৩ ব‍্যাটালিয়ানের জওয়ান ও বনদপ্তরের হ‍্যামিলণ্টণ গঞ্জের বনকর্মীরা যৌথ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.