Breaking News
Home >> Breaking News >> একটা দিন আপনারা আর বছরভর এপ্রিলফুল করে ওরা

একটা দিন আপনারা আর বছরভর এপ্রিলফুল করে ওরা

কল্যাণ অধিকারী, স্টিং নিউজ : সন্ধ্যা থেকেই শুরু এপ্রিলফুল। টপাস করে হোয়াটস অ্যাপে একটা ম্যাসেজ। এপ্রিলফুল করবার নিত্যনতুন আইডিয়া চোখের সামনে তখন উদাহরণ তুলে ধরছে। বাকিটা পড়ুন এগুলো কি বছরভর এপ্রিলফুল নয়?

মাঝেমধ্যে রাতের শেষ ট্রেনে ফিরবেন। একাকী কামরায় সাবেকি লাসঘরের গন্ধ নাকে ঢুকবে! আপনার কানে হেডফোন আর মেঝেতে আরশোলার চুম্বনের আর্তনাদ। ফুল টিকিট কেটে স্বস্তি করে বসেও ফেরা যাবে না এটা কি এপ্রিলফুল নয়।

ভোট আসলে বেশি বেশি রেশন দেবে। হাজারো প্রতিশ্রুতির বহর। ব্যাঙ্ক একাউন্টে কয়েক লাখ টাকা ঢুকবে। মানুষের রোজগার মাইনে নূন্যতম এত টাকা করে দেওয়া হবে। ভোট মিটলে আফটার পাঁচ বছর চুপচাপ। রেশন তাও মাসে দুবার। এটাও কি এপ্রিলফুল নয়।

আলুর দাম কম, কৃষক যা খরচ করেছে তা উঠছে কোথায়! কেউ ভাবছে, না ভেবেছে। একসময় বলা হয়েছিল কৃষি আমাদের ভিত্তি কোথায় গেল সে সব আওড়ানি। কৃষক এর দুর্দশা নেতাদের চোখে পড়ছে কি! সবটাই ভোটব্যাঙ্ক বাঁচানোর লড়াই। এটা কি এপ্রিলফুল নয়!

স্কুল মাস্টার চাকরি পাবার আশায় কত যুবকের চোখের জল পড়ছে। এম.এ বি.এড পাশ করেও ঘরে বসে। কত সংসার বানের জলে ভেসে যাওয়ার মতো অবস্থা। মা বলে, এর থেকে লোহা কাটার কাজ শিখতে পারতিস তো। অন্তত দুবেলা মাছ ভাত খেতে পারতাম। কলেজ ফিজ, ইউনিভার্সিটি খরচ করে, বি এড ট্রেনিং নিয়েও চাকরি কোথায় এটা কি এপ্রিলফুল নয়!

মুখ খুললে কেউ না কেউ আপনার নামে অভিযোগ জানিয়ে দেবে। একাউন্ট ব্লক ইত্যাদি ইত্যাদি। গণতান্ত্রিক দেশে মুখ খোলার আছে অধিকার। আপন জাতিসত্তা টিকিয়ে রাখতে প্রতিবাদ না করে থাকতে পারলেন না। আপনি তখন একঘরে। এটা কি আপনার সাথে এপ্রিলফুল করা হল না একবার ভেবেচিন্তে বলুন।

চাকরিক্ষেত্রে, বাসে, ট্রেনে, ট্রামে, চলার পথে মেয়েদের ইচ্ছে করে ধাক্কা খেতে হয় না। আপনি মহিলা কেন জেনারেল কামরায় উঠেছেন। আপনাদের কামরায় গেলে তো ফাইন। আরে দাদা ও হয়তো এটা বুঝেছে আজ ওর খুব কষ্ট হচ্ছে। জেনারেল কামরায় কোন ভাই বা দাদা, জেঠ্যু বা কাকু আছেন যিনি ওর কষ্ট বুঝে একটু বসতে দেবেন। মহিলা কামরা কি সব সময় খালি থাকে। তবুও আপনারা অযাচিত মন্তব্য করেন এটা কি মেয়েটার সাথে এপ্রিলফুল করা হচ্ছে না।

একটি দিন শিশিরধৌত কপালে বিচুর্ণকুন্তল এঁকে দিলে তবেই এপ্রিলফুল। বাকি সময় আরও বেশি এপ্রিলফুল হতে হয়। টিউলিপ ফুলের গন্ধ বলে বিক্রি করা লোকাল সেন্ট এর মতো। জিরো ব্যালেন্স খাতায় আপনি টাকা রাখুন ছাই না রাখুন মিনিমাম ব্যালেন্স না থাকলেই ফাইন নেওয়া হয়। বাসে ভাড়া বাড়ছে অথচ বসার সিট ছোট। পা রাখতে সমস্যা হয়। এটা কি দাদা এপ্রিলফুল তো!

দরদরিয়ে ঘাম ঝড়ছে আর আপনি লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে। হঠাৎ শুনলেই লিংক নেই কেমন লাগে আপনার। যাইহোক আপনি এপ্রিলফুল বানান। একটা দিন বানাবার সখ ও ইচ্ছে থাকা দরকার। বাকি দিন তো আপনি হন। একশো টাকার পেট্রোল নিলে কম দেবে। একশো দশ টাকার নিলে সঠিক দেবে এই আশায়।

এছাড়াও চেক করুন

১৪ ফুট লম্বা রয়েল বেঙ্গল টাইগারের চামড়া সহ গ্রেফতার দুই

বিশ্বজিৎ সরকার, স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট, দার্জিলিংঃ মঙ্গলবার গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে হাসিমারা চৌপথী এলাকায় অভিযান …

Leave a Reply

Your email address will not be published.