Breaking News
Home >> Breaking News >> সরকারের কোলে থেকেও অভুক্ত সরকারি কর্মচারীরা,পরিস্থিতি ফেরাতে আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে

সরকারের কোলে থেকেও অভুক্ত সরকারি কর্মচারীরা,পরিস্থিতি ফেরাতে আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে

নিজস্ব সংবাদদাতা: পরিচিত সরকারি কর্মচারী হিসেবে। তবুও সংসার চালাতে হিমশিম তারা। ঠিক এরকমই অবস্থা বর্তমান সরকারের ডগমগ প্রকল্প সামাজিক সুরক্ষা যোজনার কর্মচারীদের। সমাজের কিছু নিম্নবিত্ত শ্রেণী অর্থাৎ নির্মাণ কর্মী,পরিবহন কর্মী,ভিন্ন কম রোজগারকারী কর্মীদের উদ্দেশ্যে বাম আমলে প্রকল্পটি শুরু হয়। বাম আমলে এই প্রকল্পটির জন্য শেষ পাঁচ বছরে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু বাম জামানার পতন ঘটেছে।২০১১ তে মমতার সরকার ক্ষমতায় এলে প্রকল্পটির ভোল অনেকটাই বদলে যায়।
শ্রমিক শ্রেণী মানুষের স্বার্থে সরকারের তরফ থেকে প্রচার বাড়ে এবং বাড়ে লভ্যাংশ।

২০১৭ সালে মমতা বন্দোপাধ্যায় তিন শ্রমিক শ্রেণীকে নিয়ে গড়ে ওঠা প্রকল্পটিকে সামাজিক সুরক্ষা যোজনা হিসেবে নাম করন করেন। বাম আমলে এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত শ্রমিককে প্রতি মাসে ২০ টাকা সরকারকে দিতে হত। বর্তমানের পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। বর্তমানে ওই শ্রমিককে প্রতি মাসে ২৫ টাকা দিতে হয় এবং তার পাশাপাশি সরকার প্রতি মাসে অধিক ৩০ টাকা তাদের খাতায় প্রদত্ত করে।
এছাড়া বদলেছে শ্রমিকদের লভ্যাংশের পরিমান। আগে কোনো দুর্ঘটনা কিংবা আকস্মিক মৃত্যুতে শ্রমিক পরিবার যে টাকা লভ্যাংশ পেত। এখন সেটাকে বাড়িয়ে দ্বিগুন করা হয়েছে। ২০১৭ সালে মমতার সরকার দ্বারা নামাঙ্কিত সামরিক সুরক্ষা যোজনার কর্মচারীর সংখ্যাও বদলেছে। ব্লক,পৌরসভা,এবং করপোরেশন জুড়ে এই রাজ্যে বর্তমান শ্রমিক সংখ্যা প্রায় ছয় হাজারের কাছে।
যাদেরকে ইংরাজিতে নাম দেওয়া হয়েছে এস এল ও অর্থাৎ স্বনিযুক্ত শ্রম সংঘটক।
বর্তমানে এই প্রকল্পে নিযুক্ত কর্মচারীদের কাজ হলো ব্লক,পৌরসভা এবং করপোরেশনে এই প্রকল্প ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দেওয়া এবং ঐ তিন শ্রেণীর শ্রমিক দের এই প্রকল্পের আয়ত্তে আনা।
কিন্তু এই প্রকল্পের হয়ে দীর্ঘদিন কাজ করা শ্রমিকরা বর্তমানে নাজেহাল।
কারণ তদন্তে জানা যায় তাদের নির্দিষ্ট কোনো মাইনের আয়োজন নেই,পারিশ্রমিক পাবে কমিশন ভিত্তিক। এরকম চুক্তিতেই নিযুক্ত হয়েছিলেন এস এল ও অর্থাৎ সামরিক শ্রমিক সংঘটক কর্মীরা।
কিন্তু দ্রব্যমূল্যের এই আকালে কমিশন ভিত্তিক রোজগারে সংসার চালাতে রীতিমত হিমশিম তারা। কোনো শ্রমিককে সামরিক সুরক্ষা যোজনার অন্তর্ভুক্ত করালে এস এল ও শ্রমিক কমিশন হিসেবে ২০ টাকা পায়। এভাবে আয়োজিত ব্যবস্থাপনায় তারা যে সমস্যা ভোগ করছে। এনিয়ে প্রশাসনের সর্বস্তরে কথা বলেছেন তারা। এমনকি কয়েকদিন আগে পুরো রাজ্য জুড়ে এস এল ও শ্রমিকরা তাদের নিজস্ব জেলার জেলাসকের কাছে ডেপুটশন জমা করেন।
ঐ ডেপুটশনে দাবি ছিল , সরকার যেন তাদের ন্যূনতম ভাতা প্রদান করেন।
এছাড়া প্রশাসনের সাথে বারংবার আলোচনা সত্ত্বেও তাদের কোনো সদুপায় তারা খুঁজে পাননি বলে দাবী এস এল ও কর্মীদের। তাদের এই সমস্যা মেটানো হোক এই আর্জিতে এবার তাদের দাবি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। লোকসভা ভোটের জোগাড়যন্তর এবং রাজ্যে বিজেপি নিকেশ পরিকল্পনার সাথেসাথে ঘরের ছেলে অর্থাৎ শ্রমিক সংগঠকদের আর্জি যে সফল হবে সেটা কেবল সময়ের অপেক্ষা।

এছাড়াও চেক করুন

গ্রেফতার হল আমতার সেই বাইক চোর

কল্যাণ অধিকারী, স্টিং নিউজ, হাওড়াঃ ছিপছিপে চেহারা। উজ্জ্বল ত্বক। পরিপাটি চুল কাটা। উচ্চতায় সাড়ে পাঁচ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.