Breaking News
Home >> Breaking News >> স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিল শিক্ষার দায়িত্ব, তারকেশ্বর ওসি দায়িত্ব নিলেন পথ শিশুদের  খাদ্য সংস্থানের

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিল শিক্ষার দায়িত্ব, তারকেশ্বর ওসি দায়িত্ব নিলেন পথ শিশুদের  খাদ্য সংস্থানের

কমলেন্দু পোড়েল, স্টিং নিউজ করেসপন্ডেন্ট, হুগলীঃ কেউ ড্রেনড্রাইটের নেশায় বুঁদ,কেউ বা আবার নেশার গভিরে সমুদ্রে ডুব।তারকেশ্বর এলাকাজুড়ে বহু পথ শিশু কারোর খাদ্যের অভাব কারো বা বস্ত্রের,শিক্ষার আলো তাদের চৌকাঠ মারায় নি। শিশু দিবসের প্রাক্কালে তারকেশ্বরে স্টেশন চত্বরে ঝুপড়িতে বসবাসকারী ২২ জন শিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য সহ সমস্ত দায়িত্ব নিল এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। হুগলীর তারকেশ্বর থানার ওসি অমিত মিত্রের সহায়তায় তাদের এক মাসের খাওয়ার ব্যবস্থাও করে দিলেন ওসি অমিত মিত্র। তারকেশ্বর বাস স্ট্যান্ডে একটি হোটেলে এক মাসের খাবার ব্যবস্থা করা হয় বাচ্চাদের।হাতে দেওয়া হলো একটি করে বল।

জানা গেছে, ওই শিশুদের জন্য সারা বছর খাদ্যের ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানানো হয় সংস্থার পক্ষ থেকে। দুবেলা পেটভরে জোটে না অজান্তেই নেশায় আসক্ত হয়ে হারিয়ে যায় অন্ধকার জগতে।স্বাভাবিক পরিবেশে শিশুদের ফিরিয়ে আনতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে হাত বাড়িয়ে দিল প্রশাসন।

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্য মৈত্রেয়ী ব্যানার্জি বলেন, “বর্ধমান ,ব্যান্ডেল, শেওড়াফুলি সহ বেশ কয়েকটি স্টেশন চত্বর এলাকার বাচ্চাদের নিয়ে আমরা কাজ করছি। তাদের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে শিক্ষা থেকে শুরু করে খাদ্য-স্বাস্থ্য পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা সব কিছুর বিষয়ে আমরা নজর রাখছি। তারকেশ্বরে এই ধরনের বহু শিশু রয়েছে তাদের মধ্যে ২২ জনকে নিয়ে আছি আমাদের কাজ শুরু করলাম। আগামী দিন শিশুর সংখ্যা বাড়তে থাকবে।প্রথমে তাদের সুস্থ পরিবেশে থাকতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সহ দাঁত মাজা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনের ছোটখাটো বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। সকালে তারা পেট ভরে ভাত খেয়ে পড়াশোনা করবে এরপর বাড়ি ফিরে যাবে।এমন ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানানো হয় ওই স্বেচ্সাসেবি সংস্থ্যা।”

তারকেশ্বর থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটি তারকেশ্বর স্টেশন সংলগ্ন ঝুপরিবাসি ছোট ছোট শিশুদের নেশা মুক্ত করে সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে কাজ করতে চাই।তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে আমরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলাম। আর পি এফ এর পক্ষ থেকে একটি ঘর দেওয়া হয়েছে পড়াশোনা করানোর জন্য। এই ধরনের উদ্যোগ আগামী দিনে সমাজে অপরাধপ্রবণ মানসিকতার যুবকের সংখ্যা কমাবে বলে আমাদের আশা। স্টেশন বাস স্ট্যান্ডে আগত নিত্যযাত্রীরা প্রতিদিনই এই সমস্ত বাচ্চাদের নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ভিক্ষার করতে দেখে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে সকলেই।

এছাড়াও চেক করুন

কচুয়া ধামে বড় দুর্ঘটনা, আহত প্রায় ৩৩, বেশ কয়েক জনের মৃত্যুর আশঙ্কা

স্টিং নিউজ সার্ভিস: কচুয়া ধামের পাঁচিল ভেঙ্গে বিপত্তি পদপৃষ্ট বেশ কয়েকজন তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.