Breaking News
Home >> Breaking News >> বৃহস্পতিবার থেকেই শহরমুখি বাসে ঘাসফুলের পতাকা, সপ্তাহান্তে আম-আদমির নাজেহাল দশা !

বৃহস্পতিবার থেকেই শহরমুখি বাসে ঘাসফুলের পতাকা, সপ্তাহান্তে আম-আদমির নাজেহাল দশা !

কল্যাণ অধিকারী, স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট, হাওড়া:মাঝে একটা দিন তারপর তৃণমূল কংগ্রেসের শহীদ দিবস উদযাপন। গ্রাম গঞ্জ উজাড় করে শহরমুখী হবে লক্ষ লক্ষ মানুষ। তাঁদের আসবার সুবন্দোবস্ত করতে নেতাদের ঘুম চলে যাবার অবস্থা। শ’য়ে শ’য়ে বাস ইতিমধ্যেই বুকিং করে নেওয়া হয়েছে। লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে ঝান্ডা। একটা দিন পরেই গাড়ির স্টিয়ারিং দ্বিতীয় সেতু হয়ে শহীদ সমাবেশ অভিমুখ হবে।

এবারের একুশের ভিড় সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিতে চলেছে। জানা গেছে এক একটি অঞ্চল থেকে পাঁচটি বাস ভর্তি করে লোকজন আনা হবে। একটি বাসে ৫২ সিট হলে প্রতিজন সিটে বসে আসবে পাশাপাশি অন্তত ২০ জন দাঁড়িয়ে আসবে৷ হিসাব বলছে ৩৬০ জন করে এক একটি অঞ্চল থেকে আসবে। পাশাপাশি ছোট গাড়িতে চেপে আসবে অন্তত ৮জন। সুতরাং হিসাব যা বলছে সমস্ত পঞ্চায়েত থেকে এই হিসাবে মানুষজন আসলে সর্বকালীন রেকর্ড ভিড় হবে। পাশাপাশি বেলা ১০টার পর থেকেই শহরের বাস ঢোকার সমস্ত পথ বন্ধ হয়ে যাবে!

সম্প্রতি জঙ্গলমহলে গেরুয়া বাড়বাড়ন্ত হওয়ায় কত মানুষ আসবেন তা নিয়ে একটা সন্দিহান থাকলেও একুশের সভায় যে বাড়তি নজর জঙ্গলমহলের মানুষ দের দিকে থাকবে তা একপ্রকার নিশ্চিত সকলে। ধামসা মাদল মাথায় হাড়ি নিয়ে মেয়েদের কোমর ধরে নাচ এবারও দেখা মিলবে বলেই নেতাদের ধারণা। পুরুলিয়া, আদ্রা, বাঁকুড়া সহ জঙ্গলমহলের সর্বত্র প্রচার চালানো হয়েছে। কয়েকটি জেলা পরিষদ হাতছাড়া হলেও সেখান থেকেও দেহাতী মানুষ জন উজাড় করে বাসে ট্রেনে চেপে আসবেন এমনটাই আসা শাসক দলের।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই যে সমস্ত গঞ্জের বাস ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে হাওড়া আসছে অধিকাংশ বাসেই তৃণমূলের ঝান্ডা লাগানো। রিপিয়ারিং করাবার উদ্দেশ্যে বহু বাস গ্যারেজে চলে গেছে। ফলে এ দিন কমতে শুরু করেছে বাস। সেক্ষেত্রে শুক্রবার কি চালানো হবে বাস সুনিদ্রিষ্টভাবে কোন মতামত দিতে পারছে না বাস চালকরা। সুতরাং সপ্তাহের শেষ দু’দিন জেলাজুড়ে যে চরম বাস সংকট দেখা দেবে তা একপ্রকার নিশ্চিত। সেক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ সপ্তাহান্তে বাড়ি ফিরবে কিভাবে ?

শাসক দলের নেতাদের মন্তব্য বছরের একটা দিন গ্রামের মানুষজন ধর্মতলায় দিদির সভায় যেতে চায়। তাদের জন্য বাস ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ঠিকি তবে সব বাস তো নেওয়া হচ্ছে না। এক একটি রুটে ২৫ টি বাস চললেও মেরেকেটে ১০ট বাস তোলা হচ্ছে। কিন্তু হিসাব যে অন্যকথা বলছে। চন্দ্রকোনা-হাওড়া রুটে প্রায় সবকটি বাস বুক করা হয়েছে বেঁধে দেওয়া হচ্ছে ঘাসফুল দেওয়া পতাকা। শুক্রবার থেকেই বিভিন্ন এলাকায় চলে যাবে সেই সমস্ত বাস। ফলে সকাল থেকেই বাসের খোঁজ মিলবে না।

যদিও প্রতিবার তৃণমূল সুপ্রিমো রাজ্যবাসীর কাছে অসুবিধার জন্য রাজধর্ম দেখিয়ে মার্জনা চেয়ে নেন। শনিবার মানুষের মাথায় ঢাকা পড়বে কল্লোলিনী কলকাতার রাজপথ। রায়না থেকে কাকদ্বীপ, জঙ্গলমহল থেকে পাহাড় এক সুরে দিদির কথা শুনবে ঠিক তখন বাড়ি ফিরত সাধারণ মানুষ হাপিত্যেশ করবে বাসের জন্য। হয়তো একটি দিন ওই শহীদদের পরিবারের জন্য না হয় গা সওয়া করে নেবেন আম -আদমি কষ্টটা!

আমাদের  STING NEWZ  ইউটিউব চ্যানেলটি সাবসক্রাইব করতে ক্লিক করুন এই লিঙ্কেঃ https://www.youtube.com/c/StingNewz7  আর প্রতি মুহূর্তে পেতে থাকুন ভিডিও খবরের তাজা আপডেট। 

এছাড়াও চেক করুন

পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের পাঁশকুড়া বাসস্ট্যান্ডে লায়ন্স ক্লাবের ক্লক টাওয়ারের উদ্বোধনে  দেব

পশ্চিম মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের পাঁশকুড়া বাসস্ট্যান্ডে লায়ন্স ক্লাবের ক্লক টাওয়ারের উদ্বোধন করতে এসে সাংসদ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.