Breaking News
Home >> Breaking News >> হুগলী দামোদরের জল বারতেই পুরশুড়ার বালি মাফিয়াদের দৌরাত্বে আতঙ্কিত সাধারন মানুষ

হুগলী দামোদরের জল বারতেই পুরশুড়ার বালি মাফিয়াদের দৌরাত্বে আতঙ্কিত সাধারন মানুষ

কমলেন্দু পোড়েল স্টিং নিউজ করেসপন্ডেন্ট, হুগলী: নদীতে জল বাড়ার সাথে সাথে হঠাৎ করে সক্রীয় হয়ে উঠছে বালি মাফিয়ারা। কিছু মাস আগে প্রশাসনিক ভাবে বালি খাদ গুলো বন্ধ করার করা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিলো জেলা জুরে। অক্সান অনুমতি দেওয়া খাদ ছারা বাকি খাদান বন্ধ ছিলো। তবে পূনরায় বন্ধ বালি খাদানগুলো বালি মজুত ও মজুত বালি পাচার করছে বলে খবর।

জেলার বালি খাদানের সাথে রাজনৈতিক গন্ডোগোল জরিয়ে আরামবাগের বহু যায়গায় উত্তপ্ত থেকেছে,শিরোনামে থেকেছে।বর্তমানে হুগলীর হরিনখোলা, আরামবাগ, পুরশুড়ার দামোদর লাগোয়া বহু খাদ গুলো এবার হঠাৎ করে সক্রীয় বলে সূত্রের খবর। বিশেষ করে পুরশুড়া দামোদর নদী লাগোয়া খুশিগঞ্জ,বৈকুন্ঠপুর,রসুলপুর, জঙ্গলপাড়া, শ্রীরামপুর লাগোয়া মিলিয়ে ২০ টির বেশি বালি খাদান এখন ঘোর পথে বালি মজুত করতে মরিয়া হয়ে পরেছেন।

এক প্রকার শিত ঘুম থেকে জেগে উঠেছে বালি ব্যবসায়ী খাদান মালিকরা।শুরু হয়েছে বালি ট্যাগ করা, কোন খাদানে আবার কয়েক মাস ধরে রাখা মজুত বালি রাতের অন্ধকারে পাচার করে দেওয়া হচ্ছে। জানা গেছে পুরশুড়ার এক চাঁই বালি ব্যবসায়ী প্রশান্ত হাইতের নেতৃত্বেই এই কারবার চলছে। কখন কিভাবে কোন ঘোর পথে বালি উঠবে সবই মাস্টার প্লানার প্রশান্ত হাইত।একসময় নিজের খাদানকে রক্ষা করতে এলাকার এক প্রভাবশালি উপপ্রধানকেও মিথ্যা অভিযোগে জরিয়ে নিয়েছিলেন বলে স্থানিয় বাসিন্দাদের খবর।

সরকারী ভাবে এখন বালি মজুতের অনুমতি না দিলেও বর্তমানে নদীতে জল বারার সাথে সাথে নদী থেকে বালি ট্যাগ ও মজুত বালি পাচার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। কয়েকদিন আগে চঞ্চল সিংহরায় নামে বৈকুন্ঠপুরে একটি খাদানের মালিকের মজুত বালি পাচার করতে গিয়ে পুলিশি রেড হয়, ছিলেন সরকারী ভূমী রাজস্ব দপ্তর আধিকারিকরা। কয়েকদিন আগে পুলিশি অভিযান চালিয়ে বেআইনি বালি পাচারকারী ও চালান বিহীন ট্রাকটর আটও করলেও এবার ডোন্টকেয়ার হয়ে সেই পুরানে পথে । বর্তমানে মহলে খবর ছরিয়েছে আগের জেলা শাসক সঞ্জয় বনশল নাকি পারমিশন দিয়ে গেছেন ট্যাগ করার।

সম্প্রতি বদলি হুগলীর জেলাসকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন ” এই সব কিছু হয় নি , এখন যিনি বহাল হয়েছেন তিনি জানেন। সূত্রের খবর আসলে ট্যগ পারমিশন বিষয়টা সবটাই আইনি জট আছে এই ট্যাগ করাকে নিয়ে। ট্যাগ করা বালির চালানের টাকা পায় বি এল আর ও আর বালির মোটা টাকা খাদান মালিক। এখানেই জট। কে কোন আইনে পারমিট দেন, তার আইনি স্বচ্ছতাও কতোটা। বর্তমানে ৩০০ সিএফটি বালির দাম ৪,৫০০ টাকা,আগে যেটা ছিলো মাত্র ২,৫০০।

এই বিপুল পরিমান টাকা মাত্র এই দুই মাসে চটজলদি মোটা টাকা কামাতেই সরকারী আইনকে বুরো আঙ্গুল দেখিয়ে লুটের রাজে পরিনত হচ্চে। বারছে নদীর গভিরতাও। বন্যা কবলিত এলাকা হিসাবে চিহ্নিত, এই সব নদী কেন্দ্রীক এলাকাগুলিতে বালি মাফিয়াদের থাবায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী। তবে মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে ধরপাকর শুরু করেছে পুলিশ প্রসাশন। তবে এলাকায় এমন দাঁরিয়েছে যে ” পুলিশ যায় ডালে ডালে আর চোর যায় পাতায় পাতায়।

loading...

এছাড়াও চেক করুন

প্রেমে প্রত্যাক্ষিত হয়ে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা স্কুল ছাত্রের, চাঞ্চল্য মেখলিগঞ্জে

মনিরুল হক, স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট, কোচবিহারঃ প্রেমে প্রত্যাক্ষিত হয়ে আত্মহত্যার চেষ্টায় বিষ খেয়ে ক্লাস রুমে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.