Breaking News
Home >> Breaking News >> চতুর্থ সুতানুটি তথ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৮

চতুর্থ সুতানুটি তথ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৮

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কলকাতাঃ আমাদের তিলোত্তমা শহর কলকাতা আর এই শহরে জনসংখ্যার কোন ইয়ত্তা নেই। খাবার থেকে সিনেমা অথবা ঘোরা-ঘুরি কোনকিছুতেই পিছিয়ে নেই আপামর বাঙালি সমাজ। সম্প্রীতি বহু কিশোরকিশোরীদের দেখা গিয়েছে নিজেদের ভাব প্রকাশের জন্য এবং সমাজকে কিছু বার্তা দেবার জন্য ক্রমশ তারা স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি নির্মাণের দিকে ঝুৃ্ঁকছেন।

এরমধ্যেই আমাদের শহর কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল “চতুর্থ সুতানুটি তথ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৮”-এর। ৬ থেকে ৮ই জুলাই এই তিনদিন ব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বহু শিল্পানুরাগী মানুষজন। সবথেকে উল্লেখযোগ্য ব্যাপারটি হল এই চলচ্চিত্র উৎসবের প্রায় অধিকাংশ প্রতিযোগীই ছিলেন নতুন প্রজন্মের ও নতুন ধারাও চিত্রের উপস্থাপক।

অত্যন্ত উচ্চমানের চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার পর নিয়ম অনুসারে বেছে নেওয়া হয় সেরার সেরা ছবিগুলিকে। সেরা তথ্যচিত্রের তকমা পায় দ্যুতিমান দত্ত পরিচালিত “আর্ট ডিরেক্টর সুনিতি মিত্র” এবং দ্বিতীয় সেরা তথ্যচিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয় দিগন্ত দের “রোডসাইড সায়েন্টিস্ট”। “বেস্ট ফিল্মের”-এর পুরষ্কার পান সোম চক্রবর্তী, তার ছবি “উজানতলী”-এর জন্য। এছাড়াও, এই চলচ্চিত্রটির জন্যে “বেস্ট সিনেমাটোগ্রাফার” ও “বেস্ট স্ক্রীপ্ট” ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার পান যথাক্রমে শুভদীপ দে ও সোম চক্রবর্তী।

দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ ছবি হিসেবে নির্বাচিত হয় দেবরাজ নাইয়া পরিচালিত “ভয়েস অফ সাইলেন্স” এবং এই চলচ্চিত্রে “বেস্ট সাউন্ড”-এর জন্যও নির্বাচিত হন সুজয় দাস। “পুরুষান্ত” ছবির জন্যে শ্রেষ্ঠ পরিচালকের খেতাব পান যৃুধাজিৎ সরকার; এছাড়াও এই ফিল্মটির সম্পাদক সায়ন মল্লিক “বেস্ট এডিটর” হিসেবে ভূষিত হন। সেরা গল্পের জন্য “সাউন্ড অফ সাইলেন্স” ছবির পক্ষ থেকে শ্রেষ্ঠ স্থানাধিকার করেন হরিপদ সমাদ্দার।

কল্যাণ সেন বরাট ভূষিত হন “বাঁশী” ছবিটিতে আবহ সংগীতে সুরদানের জন্য। এছাড়াও, “বাঁশী” ছবিটি থেকে সেরা অভিনেতার পুরষ্কার পান প্রদীপ ভট্টাচার্য। “ডোরবেল রহস্য”-এ সেরা অভিনেতা হন দেবদূত ঘোষ এবং সেরা অভিনেত্রীর খেতাব পান বৃষ্টি রায় এবং শিল্পী আচার্য যথাক্রমে ছবি “তৃতীয় ছাদ” এবং “যখন বৃষ্টি এসেছিল”-এর জন্য। সৌরিশ দে “দ্য আননোন সিটিজেন”-এর সেরা পোস্টার বানানোর জন্য পুরষ্কৃত হন। সামাজিক চিন্তাভাবনা চিত্রায়িত করে ধনঞ্জয় মন্ডলের “রোল নং- ১৭”-এর শ্রেষ্ঠ সামাজিক ফিল্মের তকমা পায় এবং এই ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় স্থান দখল করে পঙ্কজ সিং তনওয়ার পরিচালিত ছবি “কেক”।

এনাদের সবার হাতে পুরষ্কার তুলে দিতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পুরষ্কারপ্রাপ্ত পরিচালক শ্রী রাজা সেন, “গুহামানবের” পরিচালক পারমিতা মুন্সি, পরিচালক রেশমী মিত্র সহ আরও অনেক বিশিষ্টজনেরা। তারা পুরষ্কার দেবার পাশাপাশি স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবির পরিচালকদের এমন অনেক ছবি বানানোর জন্য উৎসাহিত করেন এবং এও বলেন এখন এই পরিচালনার পাশাপাশি বাণিজ্যিক দিকেও নজর দিতে হবে যাতে ছবির ভালো প্রচার হয়।

loading...

এছাড়াও চেক করুন

ভর সন্ধ্যায় পেটলায় গুলির অভিযোগ, উত্তেজনা এলাকায়

মনিরুল হক, কোচবিহার: ফের গুলি-বোমার শব্দে উত্তাল দিনহাটা। ঘটনাটি ঘটেছে দিনহাটা ১ নম্বর ব্লকের পেটলা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.