Breaking News
Home >> Breaking News >> দীঘাতে এমন মর্মান্তিক মৃত্যু বোধ হয় এর আগে কখনও হয়নি

দীঘাতে এমন মর্মান্তিক মৃত্যু বোধ হয় এর আগে কখনও হয়নি

নিজস্ব সংবাদদাতা, দিঘা:কোটালের জন্য দিঘার সমুদ্র ছিল উত্তাল।ছিল সতর্কতাও জারি।তারই মধ্যে সমুদ্রে পা ভেজাতে নেমেছিলেন এক পর্যটক।আচমকাই ঢেউ এসে পড়ায় টাল সামলাতে পারেননি তিনি।কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঢেউয়ের তোড়ে আছড়ে পড়েন বোল্ডারের ওপর।রক্ত না বেরোনোয় প্রথমটায় ঘটনার ভয়াবহতা বুঝতে পারেননি তাঁর আত্মীয়রা।কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই ভাঙে ভুল।ততক্ষণে ব্রেন হেমারেজে মৃত্যু হয়েছে ওই পর্যটকের।ঘটনার ভয়াবহতায় বিস্মিত প্রশাসনও।এর আগে দিঘাতে কোনও দিন এমন ঘটনা ঘটেনি বলে দাবী প্রশাসনিক আধিকারিকদদের।জানা গিয়েছে,গত রবিবার স্ত্রী,ছেলে ও মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে দিঘাতে বেড়াতে এসেছিলেন উত্তর ২৪ পরগণার কাঁচড়াপাড়া রেলওয়ে কর্মী চন্দন মুখোপাধ্যায় (৫৮)।বুধবার ফেরার কথা ছিল তাঁদের।এ দিন সকাল থেকেই উত্তাল ছিল দিঘার সমুদ্র।ওল্ড দিঘার বিশ্ব বাংলা বাংলো ঘাটে গার্ডওয়ালের উপর বসে সকালে জলোচ্ছ্বাস দেখছিলেন চন্দনবাবু।মদ্যপ অবস্থায় থাকার জন্য আচমকাই বড় ঢেউয়ের ধাক্কায় টাল সামলাতে পারেননি তিনি।বোল্ডারে গিয়ে ধাক্কা খান তিনি।মাথায় গুরুতর আঘাতে তাঁর মৃত্যু হয়।কতর্ব্যরত নুলিয়ারা তাঁকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।তবে চিকিৎসকরা জানান,মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জেরে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।খবর পেয়ে দিঘা মোহানা থানার পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে।তবে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।প্রসঙ্গত,দিঘায় এই ঘটনা প্রথম নয়,আগে দু’দিনের ছুটিতে সমুদ্র স্নানে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি হয়েছিল দুই যুবকের।গত রবিবার স্নান করতে নেমে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়েছিলেন দুই পর্যটক যুবক।স্থানীয় সুত্রে খবর,মোহনার কাছে স্নান করতে নেমেছিলেন ওই দুই পর্যটক।সেই সময় জলের তোড়ের মুখে নিজেদের সামলে রাখতে পারেননি তাঁরা।সমুদ্রে তলিয়ে যান দু’জন।পরে দিঘার সমুদ্র সৈকত থেকে ওই দু’জনের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

loading...

এছাড়াও চেক করুন

লায়ন্স ক্লাব অব রানাঘাট পশ্চিমের উদ্যোগে উদ্বোধন হল বৃদ্ধাশ্রম “বানপ্রস্থ”

কমল দত্ত,নদিয়া: বর্তমান সমাজে বেশীরভাগ পরিবারের ছেলে মেয়েদের কাছে একটা বড় বোঝা তাদের বাবা মা। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.