Breaking News
Home >> Breaking News >> কালাজ্বর নির্মূলে গীতাঞ্জলি প্রকল্প

কালাজ্বর নির্মূলে গীতাঞ্জলি প্রকল্প

দক্ষিণ দিনাজপুরঃ কালাজ্বর নির্মূলে এবার গীতাঞ্জলি প্রকল্পকে কাজে লাগালো দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তর। এর আগে দার্জিলিঙের একটি এলাকায় এই প্রকল্পের স্বার্থকতায় উৎসাহী হন দক্ষিণ দিনাজপুরের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। স্প্রে বা অন্য প্রক্রিয়ায় জেলাতে কালাজ্বর নিয়ন্ত্রণে তেমন উন্নতি না হওয়াতে এই পরিকল্পনা বলে দাবি স্বাস্থ্য দপ্তরের।
জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে দক্ষিণ দিনাজপুরে কালাজ্বর আক্রান্ত ছিলেন ৮৮ জন। এদের মধ্যে ২৫ জনের মধ্যে ভিএল বা সংক্রমক ছিল। ২০১৭ সালে তা কমে হয় ৮০। গত দু’বছরে ১৬৮ জন রোগীর মধ্যে ১৩৬ জনকে গীতাঞ্জলি প্রকল্পর আওতায় আনা হয়েছে। কেননা মাটির বাড়িতে থাকা ফাঁক ফোঁকরে বাসা বাঁধে বেলে মাছি। এই মাছি কামড়ালেই হয় কালাজ্বর। দু’ধরনের কালাজ্বর দেখা যায়। একটি সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত। এই সাধারণ কালাজ্বরের ফলে চর্ম রোগ হয়। কিন্তু, ভিএল বা সংক্রমক কালজ্বরটি পিলে এবং লিভারে ছড়া পড়ে। তাই সবার আগে মাটির বাড়ি ভেঙে পাকা করে দেওয়াই লক্ষ্য জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের। তাই আক্রান্তদের সকলকে চিকিৎসার পাশাপাশি পাকাঘর করে দেওয়া হচ্ছে। গত বছরে বেশ কয়েকজন এই ঘর পেয়ে গিয়েছেন। বাকিদের জন্য এই প্রক্রিয়া চলছে।
এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার জেলা মূখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুকুমার দে বলেন, “পরিসংখ্যান অনুযায়ী জেলাতে যে জায়গাগুলিতে কালাজ্বরের প্রকোপ বেশি, তার মধ্যে রয়েছে কুশমণ্ডির বেরইল গ্রাম পঞ্চায়েতের নালুয়া গ্রাম। সেখানে ১৯ টি আদিবাসী পরিবার রয়েছে। সকলের মাটির ঘর। দেখা গেছে ওই আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামে প্রতিবছর এই রোগ হয়। মোট ১৩৬ টি মধ্যে নালুয়ার ১৯ টি আদিবাসী পরিবার গীতাঞ্জলি প্রকল্পে রয়েছে। শুরু করা হয়েছে কালাজ্বর নির্মূলের ক্যাম্পেন।”

loading...

এছাড়াও চেক করুন

কৃষ্ণনগরে বাংলা সিনেমার ‘ফিদা’র নায়ক-নায়িকা যশ ও সঞ্জনাকে দেখতে উপচে পড়লো ভিড়

অর্ণব মজুমদার, স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট, কৃষ্ণনগর, নদিয়া: বুধবার নদিয়ার কৃষ্ণনগর বিগ বাজার এসভিএফ  সিনেমা হলে বাংলা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.