Breaking News

রাষ্ট্রয়াত্ব ব্যাঙ্কের কর্মীর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ রায়গঞ্জে

শঙ্কর গুপ্ত, স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট, উত্তর দিনাজপুরঃ একটি রাষ্ট্রয়াত্ব ব্যাঙ্কের কর্মীর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের গচ্ছিত টাকা নয় ছয়ের অভিযোগ উঠল রায়গঞ্জে। এঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রায়গঞ্জের মোহনবাটি এলাকার সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার শাখাতে বিক্ষোভ দেখান জালিয়াতির শিকার হওয়া গ্রাহকেরা।তাদের অভিযোগ,ব্যাংকের সাবর্ডিনেট ষ্টাফ সৌরভ দাস গ্রাহকদের বিশ্বাস ভঙ্গ করে অনেকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।সব কিছু জানাজানি হয়ে যাওয়ায় গত সাত দিন ধরে অভিযুক্ত সৌরভ বাবু আর ব্যাঙ্কে আসছেন না।তাকেও ফোনেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

জগন্নাথ দাস নামে এক গ্রাহক বলেন, আমি ৫ লক্ষ টাকার এমআইএস করে ছিলাম।সেই মত গত দু মাস আমি সে জন্য সুদ বাবদ টাকাও পেয়েছি।কিন্ত তিনদিন আগে আমি এমাসের টাকা তুলতে গিয়ে দেখি আমার অ্যাকাউন্ট এ টাকা নেই।এছাড়াও ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে,তার এমআইএস এর সার্টিফিকেটাও নাকি জাল !!!! সৌরভ দাস আমায় একটি খাতায় দুটো সই করিয়ে নিয়েছিল।অন্যাদিকে, আরেক গ্রাহক মহেশ মাহাত জানিয়েছেন, আমার টাকা ম্যাচিওর হওয়ায় সৌরভ আমার টাকাটা তুলে দেবে বলে জানায়।সেই মত কয়েকটা জায়গায় আমায় সই করতে বলে।আমি বিশ্বাসের বশে তা করে দেই।এখন গিয়ে দেখি আমার অ্যাকাউন্ট এ কোনো টাকা নেই।

এ ব্যাপারে ব্যাঙ্কের ক্যাশিয়ার নিভা রায় বলেন, সৌরভ নিদিষ্ট গ্রাহকের সই নিয়েই আমার কাছ থেকে টাকা তুলেছে।এ ব্যাপারে আমার কিছু করার নেই।অন্যদিকে, ব্যাঙ্কের ম্যানেজার
চন্দ্র কান্ত মন্ডল জানান, গ্রাহকদের কাছ থেকে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। সকলকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। এখনও পর্যন্ত ৪ জনের অভিযোগ জমা পড়েছে। সব অভিযোগ পেয়ে গেলে উর্ধতন কতৃপক্ষ কে জানানো হবে। কর্তৃপক্ষ যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

To get regular News Update please like our Facebook Page , Follow us on Twitter and us  join us at Google+. Now you can also download our Android App form Google Play. 

Check Also

নবান্ন অভিযানে সাংবাদিক নিগ্রহের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়ায় মেজাজ হারালেন মুখ্যমন্ত্রী

স্টিং নিউজ প্রতিবেদন, কলকাতাঃ ২৪শে মে দিল্লী যাওয়ার পথে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে, মুখ্যমন্ত্রী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *