Breaking News

হুগলীর গোঘাটে থমকে থাকা রেলের জমিজট কাটাতে মুকুল রায় এর সমাবেস।।


স্টিং নিউজ করেসপন্ডেন্ট কমলেন্দু পোড়েল, হুগলী: আজ হুগলীর গোঘাটে সভা করে গেলেন মন্ত্রী মুকুল রায়।হুগলীর গোঘাট ভাবাদিঘীতে রেল লাইন এর জন্য যে জমির উপরদিয় প্রস্তাবিত রেলপথ হতে শুরু হয় তাতেই বাধ সাধে বেশ কিছু অনিচ্ছুক জমিদাতারা।আরামবাগ থেকে বিষ্ঞুপু যাবার রেলপথে ভাবাদিঘী নামে একটি পুকুর রেলের নকশায় পরে যায়।রেলের হিসাব অনুযায়ি রেলপথ তৈরিহতে গেলে দিঘীর পশ্চিমপার এর বেশ কিছুটা অংশের উপর দিয়ে যেতে চায়।আর এই দিঘীর উপরদিয়ে কোনপ্রকারেই রেললাইন হতেদিতে নারাজ পুকুরপারের কিছু পরিবার।যদিও এদের মধ্যে ৭০%লোক জমি বিলির চেক নিয়েছেন বাকি ৩০ %পরিবার চেক নেন নি।মুলোতো সেই পরিবারগুলি কয়েকমাস ধরে আন্দলন করছেন দিঘীর উপরদিয়ে রেল না যাবার।ওনাদের মন্তব্য রেল হোক জমি বাঁচিয়ে। এই মাসখানেকের ভিতরেই এসেছিলেন safe democracy দল,আমরা আক্রান্ত প্রতিনিধি সহ আইনজি ও বিকাশরঞ্জন ভট্রাচায্। তৃনমুল সরকার আসার আগেই মমতা বন্দপাধ্যায় যখন কেন্দ্রের রেল মন্তি ছিলেন সেই সময়েই তারকেশ্বর থেকে বিঞ্পুর রেল লাইন করার প্রস্তাব সহ পাশ হয়।পরে ধাপে ধাপে তা কার্যকরিও হয়।কেবল এই ভাবাদিঘীতে জমি জটে আটকে থাকে।সেই জটকাটাতেই মুকুল রায় এখানে এসে প্রস্তাব দিয়েছিলেন “রেল হোক,দিঘী নিয়ে কোন চিন্তা নায় এখানে পাশেই সমপরিমান দিঘি(জলাশয়)করে দেওয়া হবে।ডাক্তারখানা সহ সরকারি স্বাস্হ্য কেন্দ্রও করেদেওয়া এবং জমিদাতাদের সরকারি চাকরি ও দে ার কথা বললেও প্রায় তিনমাস গরিয়ে গেলেও আন্দলনকারিরা কোন সমঝোতায় আসেন নি।তাই আজ গোঘাটে এরই প্রসঙ্গে আজ সভাকরেন তৃনমুল নেতা নপতৃত্বরা।ছিলেন সিঙ্গুর আন্দলনের নেতা বেচারাম মান্না,পঞ্চায়েত মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা,হুগলীজেলা সভাধিপতি মেহে ুব রহমান সহ আরামবাগ সাংসদ অপরুপা পোদ্দার। মকুল রায় আজ বলেন রেল এখানািয়েই হবে তিনমাসের মধ্যেই কাজ শুরু হয়ে যাবে।রেল এইখানে আটকে গেলে আগামি প্রজন্ম এই আন্দলন কারিদের খমা কোরবেনা। সেটা কখনোই তৃনমুল সরকার হতে দেবে না।আমরা সরকারিভাবে জমি অধিগ্রহন নিতি মেনেই কাজ করতে চাই।এই রেল জমিজট নিয়ে এখানে বাইরের থেকে বিরোধি রাজনিতিরা এখানে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে।রেললাইন শুধু গোঘাটের মানচিত্র পাল্টাবেনা কয়েকটা জেলার মানচিত্র পাল্টাবে এই ভাবাদিঘীকে নিয়ে।

Check Also

ভিক্ষুকরা স্মারকলিপি দিল কালিয়াগঞ্জের ব্লকে

  পিয়া গুপ্তা, স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট, উত্তর দিনাজপুর: হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *