Breaking News
Home >> Breaking News >> ​হাতির উপদ্রবে অতিষ্ট গ্রামবাসী দের রোষানলে বনদপ্তর

​হাতির উপদ্রবে অতিষ্ট গ্রামবাসী দের রোষানলে বনদপ্তর


 গত দুই দিন ধরে ঝাড়গ্রামে মুখ্যমন্ত্রী বার বার বলেছেন হাতি তাড়ানো ব্যাবস্থা করতে হবে এবং হাতির উপদ্রবের দ্রুত সমাধান চাই । এই নিয়ে ঝাড়গ্রামের ডিএফও এর কাজে বিরক্তিও প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী । আর তখনই পাশের জেলা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বন দপ্তরের আধিকারিক রা সম্পূর্ণ উদাসিন হাতি তাড়ানো নিয়ে । গত তিন দিন ধরে খবরের শিরোনামে রয়েছে গোয়ালতোড় থানার ট্যাঙ্গাশোল , উখলা , হদহদি প্রভৃতি গ্রাম গুলি । কারন ওই দলমার দাঁতাল । দলমার দাঁতাল দের ৭০ -৮০ টির একটি পাল আড়াবাড়ির জঙ্গলের দিক থেকে নয়াবসত রেঞ্জের উখলা তে ঘাটি গাড়ে । উখলা , টাঙ্গাশোল প্রভৃতি এলাকায় প্রচুর ফসলের ক্ষয়ক্ষতি করে ।বনদপ্তরের পক্ষ থেকে হাতি তাড়ানোর কোনো ব্যাবস্থা করা হয়নি । শুধুমাত্র গ্রামবাসী দের তেল দিয়েই নিজেদের দায়িত্ব সেরে নিচ্ছেন বন দপ্তরের আধিকারিক রা এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের । আর বনদপ্তরের আধিকারিক দের এই গাছাড়া মনোভাবএৃ জন্যই গত তিন দিন আগেই হাতি তাড়ানোর নিয়ে টাঙ্গাশোল ও উখলা গ্রামবাসীদের মধ্যে গন্ডগোল হয় । সেই গন্ডগোলের জেরে প্রান যায় লস্কর সরেন নামে এক ব্যাক্তির । সেই রাতেই হাতি গুলি আশ্রয় নেই হুমগড় রেঞ্জের হদহদির জঙ্গলে । সেখানেও শুরু হয় উপদ্রব । মাঠের পর মাঠ ধান সহ বিভিন্ন ধরনের সবজীর ব্যাপক ক্ষতি করে । একদিকে হাতির উপদ্রব অন্য দিকে বনদপ্তরের গা ছাড়া মনোভাব । ক্ষোভে ফুঁসতে থাকেন এলাকাবাসী । যদিও এই ক্ষোভ প্রশমনের জন্য গতকাল নিহত লস্কর সরেনের বাড়িতে যান মেদিনীপুর জেলার বিভাগীয় বনাধিকারিক রবীন্দ্রনাথ সাহা ও নয়াবসত রেঞ্জের রেঞ্জার সমীর বোস । তারা নিহত লস্করের পরিবার কে সাহায্যের আশ্বাস দেন । কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও হাতি তাড়ানোর কোনো ব্যাবস্থা না করায় এলাকার মানুষের ক্ষোভ বাড়তে থাকে । গতকাল দুপুর থেকেই কুঁন্দরীশোল , টাঙ্গাশোল সহ বিভিন্ন মাঠে ব্যাপক ক্ষতি করে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের । তাদের অভিযোগ বন দপ্তরে জানানো হলেও কোনো কাজ হয়নি ।তারা শুধু হুলা জ্বালানোর জন্য তেল দিয়েই দায়িত্ব সেরে নিচ্ছে । সেই ক্ষোভের বহিপ্রকাশ ঘটল আজ হুমগড় রেঞ্জ অফিসে । টাঙ্গাশোল , কুঁন্দরীশোল , হদহদি প্রভৃতি গ্রামের শতাধিক লোক গিয়ে বনদপ্তরের হুমগড় কার্যালয়ে চালায় ব্যাপক ভাঙ্গচুর । হুমগড় রেঞ্জের রেঞ্জার বিশ্বনাথ মধু কোড়া বলেন ,” আমরা উত্তেজিত জনতা কে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছি । তারা কোনঅই কিছুই না শুনে ভাঙ্গচুর চালায় ও কর্মীদের ধাক্কাধাক্কি করে পল আমরা উর্দ্ধতন অাধিকারিক কে বিষয় টি জানিয়েছি । তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ডিএফও অর্নব সেনগুপ্ত ,রবীন্দ্রনাথ সাহা প্রমুখ পপ ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছে গোয়ালতোড় থানার পুলিশ । রেঞ্জ অফিসের দরজা জানালা , গেট , সৌরবাতি স্তম্ভ ,সাইনবোর্ড , চেয়ার টেবিল , গাড়ি ভাঙ্গচুর করা হয়েছে । তবে মধু কোড়া জানিয়েছেন এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও বেশ চাপা উত্তেজনা রয়েছে এলাকায় । হাতি তাড়ানোর বিশয়ে উর্দ্ধতন আধিকারিকরা ব্যাবস্থা নিবেন ।

Check Also

বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার মালিকের বাড়িতে সিবিআই হানা

দীপঙ্কর ভৌমিক,বারাসাত: বারাসতে বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার মালিকের বাড়িতে সিবিআই হানা। আজ সকালে বারাসতে অর্থলগ্নি সংস্থা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.