Breaking News
Home >> Breaking News >> ​গঙ্গারামপুরের মানুষ এবার কাল্পনিক প্যান্ডেল দেখতে ভীড় জমাবে চিত্তরঞ্জন ক্লাবে

​গঙ্গারামপুরের মানুষ এবার কাল্পনিক প্যান্ডেল দেখতে ভীড় জমাবে চিত্তরঞ্জন ক্লাবে


বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও সাধারন মানুষ ও বন্যা দূর্গতদের মনে কোথায় যেন বিষাদের সুর।কারো বাড়ি চলে গেছে নয়তো কোনো প্রীয়জন চিরতরে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।মাঝে মাঝে বিভিন্ন কাপড়ের দোকানের সামনে বন্যায় দূর্গতদের দেখা মিলছে যাদের গলায় একটা কাপড়ের জন্য করুন সত্যিই এ দৃশ্য বেদনাদায়ক ও চোখে জল আনবার মতন।ঠিক সেভাবেই বন্যা থেকে শুরু করে এখনো কাপড় ধুতি ও লুঙ্গি দিয়ে সেই মানুষদের সাহায্য করে চলেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের সর্বাধিক পরিচিত চিত্তরঞ্জনপল্লীর চিত্তরঞ্জন ক্লাবের সদস্যরা।এবারের তাদের দুর্গাপুজার বাজেটে  অনেক কাটছাট রয়েছে।প্রায় আনুমানিক ১০ থেকে ২০ লাখের মধ্যে তাদের পুজার প্যান্ডেলটি একটি কাল্পনিক ধারায় করা হয়েছে। পূর্ব মেদেনিপুরের কাঁথির দিপ্তি ডেকোরেটারের কারুকার্যে ফুটে উঠেছে।প্রতিমা তৈরিতে সদুর কৃষ্ননগরের মৃৎশিল্পি গনেশ পাল তার প্রতিভাসম্পন্ন আঙ্গুলের ছোয়ায় রং তুলি আর মাটি দিয়ে গড়ে তুলেছেন মহিষাসুরমর্দিনী।আলোক সজ্জায় আলোকিত করতে জেলার হিলি থেকে আলোকসম্পাত করতে ব্যাস্ত কর্মীরা।ভয়াবহ বন্যার পর এখন একটু একটু শরতের আকাশ আর কাশফুলের শোভা সকলের মনে মা আসছেন উদ্দিপনা গঙ্গারামপুরের প্রথম সারির মধ্যে বিগ বাজাটের পুজা হয় চিত্তরঞ্জন ক্লাবের।প্রতিবারিই অন্যান্য ক্লাবের থেকে একটু এগিয়ে থাকে এই তবুও এবারের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির পর আমরা পুজা করছি মানুষকে একটু আনন্দ দিতে বছরের এই ৪টি দিন যাতে সকলের আনন্দে কাটুক এটাই আমাদের তাছাড়া এবারের পুজায় আমাদের চিত্তরঞ্জন ক্লাবের কাল্পনিক প্যান্ডেল ও প্রতিমা দেখতে প্রচুর মানুষ ভীড় জমাবে বলে আশাবাদি ক্লাবের পুজা কমিটির সেক্রেটারি সুশান্ত সাহা সহ অন্যান্য সদস্যরা।তবে বিগ বাজাটের পুজা দেখতে ভীড় জমবে তা বলাই বাহুল্য পাশাপাশি অপেক্ষার আর ৩ দিনে ঢ্যাংকুরাকুর বাদ্যি বেজে মায়ের বোধোন হোলো বলে।

Check Also

৭০ লক্ষ টাকার সোনার প্রতিমার নিরাপত্তায় পুলিশ

 রাজ্যে বারাসাতের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুকে কালিপুজোর প্রসিদ্ধ লাভ করেছে। তমলুকে কয়েকশ কালিপুজো হয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.