Breaking News
Home >> Breaking News >> ​রায়গঞ্জের চমক ডিজনিল্যান্ড ও মাদুরাইয়ের মীনাক্ষি মন্দির

​রায়গঞ্জের চমক ডিজনিল্যান্ড ও মাদুরাইয়ের মীনাক্ষি মন্দির



পিয়া গুপ্তা, স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট, উত্তর দিনাজপুরঃ রায়গঞ্জ শহরের উত্তর দিকের দুর্গাপুজো গুলির মধ্যে সুদর্শনপুর সর্বজনীন ও শাস্ত্রী সংঘের পুজো অন্যতম। পুজোর দিনগুলিতে অনেক দর্শনার্থীই ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে শিলিগুড়ি মোড় হয়ে শহরে ঢোকার সময়ে প্রথমেই সুদর্শনপুরের এই পুজোটি দেখে তারপর অন্য মণ্ডপে যান। সুদর্শনপুর সার্বজনীনের পুজোয় এবারের আকর্ষণ ডিজনিল্যান্ড। পাশাপাশি একচালার সাবেকি প্রতিমা ও চন্দননগরের আলো দিয়ে মণ্ডপ চত্বরটিকে সাজিয়ে তোলা হবে, অপরদিকে শাস্ত্রী সংঘের পুজোয় দক্ষিণ ভারতের মাদুরাইয়ের মীনাক্ষি মন্দিরের আদলে মণ্ডপ তৈরি হচ্ছে। এখানেও একচালার প্রতিমা। চন্দননগরের আলোক সজ্জায় ফুটিয়ে তোলা হবে বাহুবলী-২ সিনেমার একটি বিশেষ দৃশ্যকে। দুই জায়গার পুজো উদ্যোক্তারাই জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতির জেরে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করার জন্য এবার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সুদর্শনপুর সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নয়ন দাস বলেন, পুজো মণ্ডপটিকে ডিজনিল্যান্ডের আদলে গড়ে তোলা হচ্ছে। ডিজনিল্যান্ডের বিভিন্ন চরিত্র ও কার্টুনের আদলে মডেল থাকবে। সাবেকি প্রতিমা ও চন্দননগরের আলোকসজ্জা থাকছে। এবার আমরা আমাদের পুজোর বাজেট কিছুটা কমিয়ে দুর্গতদের সহায়তা করার চিন্তাভাবনা করেছি। শাস্ত্রী সংঘের অন্যতম পুজো উদ্যোক্তা তপন বিশ্বাস বলেন, দক্ষিণ ভারতের মীনাক্ষি মন্দিরের আদলে মণ্ডপ তৈরি করা হচ্ছে। একচালার প্রতিমা ও ডাকের সাজ দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আর্কষণ করবে বলে আশা করছি। চন্দন নগররের আলো দিয়ে মণ্ডপ ও এলাকাকে সাজিয়ে তোলা হবে। সুদর্শনপুর সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির পুজো এবারে ৬৮তম বর্ষে পা দেবে। পুজো মণ্ডপটি বাঁশ, প্লাই, কাঠ, থার্মোকল দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি সেখানে ডিজনিল্যান্ডের পরিবেশকেও ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। সেই সঙ্গে থাকবে মিকিমাউস, ডোনাল্ড ডাক সহ বিভিন্ন কার্টুন চরিত্রের মডেল। এছাড়াও মণ্ডপের সামনে থাকবে একটি বাগান। এই পুজোর সামগ্রিক পরিবেশটি ছোটদের পাশাপাশি বড়দের কাছেও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে পুজো উদ্যোক্তাদের দাবি। এখানে একচালার সাবেকি প্রতিমার একপাশে লক্ষ্মী, সরস্বতী ও অন্যপাশে কার্তিক, গণেশকে রাখা হবে। হিলির শিল্পী এই প্রতিমাটি গড়ে তুলছেন। এছাড়া চন্দননগরের আলোর মাধ্যমে বিভিন্ন মডেলকে ফুটিয়ে তোলা হবে। মোট ১৬টি কল্কা ও একটি মূল তোরণ থাকবে। শাস্ত্রী সংঘের পুজো এবারে ৫৩ তম বর্ষে পা দেবে। ৬০ ফুট উচ্চতার মণ্ডপটি মাদুরাইয়ের মীনাক্ষি মন্দিরের আদলে গড়ে তোলা হচ্ছে। মূলত বাঁশ, কাপড়, প্লাই, কাপড়, প্ল্যাস্টিকের টুকরো দিয়ে এই মণ্ডপটি গড়ে তোলা হচ্ছে। মণ্ডপের ভিতরে বাঁশ ও থার্মোকল দিয়ে কল্কে, ফুল, বিভিন্ন পশু ও মানুষের মুখের অবয়ব গড়ে তোলা হবে। একচালা ডাকের সাজের প্রতিমাটি মালদহ থেকে নিয়ে আসা হবে। চন্দননগরের আলোকসজ্জায় বাহুবলী-২ সিনেমার জলের মধ্যে জাহাজ ভাসছে এমন একটি দৃশ্যকে ফুটিয়ে তোলা হবে। দুই ক্লাবের পুজো উদ্যোক্তারাই জানিয়েছেন, এবার তাঁরা পুজোর বাজেট কিছুটা কাটছাঁট করে বন্যার্তদের সাহায্য করবেন।

Check Also

পাঁশকুড়া চেয়ারম্যান পদে বহাল থাকলেন আনিসুর রহমান

Leave a Reply

Your email address will not be published.