Breaking News
Home >> Breaking News >> নীল তিমির থাবা এবার শিলিগুড়িতে

নীল তিমির থাবা এবার শিলিগুড়িতে

বিশ্বজিৎ সরকার, স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট,  দার্জিলিং: নীল তিমি এই গেমটার সম্পর্কে এখন গোটা দেশ যানে। অথাৎ এই নীল তিমির অপর আরেক নাম মৃত্যু নিয়ে খেলা। তবে গোটা দেশে যখন নীল তিমির খেলার নেশায় শিকার ১০বছর থেকে ১৮বছর বয়সি শিশু থেকে যুবক। এই গেম খেলায় প্রথম স্থান নেয় কোলকাতা। এই নীল তিমি খেলার ফলে বহু শিশুর প্রাণ চলে যায়। এর ফলে গোটা দেশ এই গেমটিকে অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তাসত্ত্বেও এই নীল তিমির স্বীকার হচ্ছে খুবই অল্প বয়সের শিশুরা। এই নীল তিমির ধাবা প্রথমে দক্ষিণবঙ্গে থাকলেও এইবার এই নীল তিমির স্বীকার উওরবঙ্গে। এমনই ঘটনা ঘটল ফাঁসিদেওয়া ব্লক এর বিধাননগর এ। সূত্রের খবর যে গতকাল সকাল এই নীল তিমি খেলা অনুযায়ী তাকে বলা হয় যে সেই অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেটিকে একটি আলপিন দিয়ে পায়ের তালুতে ঢোকাতে হবে। সেই মত সেই অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেটে ঢুকিয়ে দেয় এবং এরপর হঠাতই সেই সময় পাশে থাকা একজন ব্যক্তি সেটি দেখতে পান। এরপর তাকে সেই আলপিনটি কি ভাবে ঢুকল সেটা জিজ্ঞেস করে সে কিছুতেই বলে না। এবং সেই অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেটির মোবাইল এ নীল তিমি গেমটি দেখতে পায়। এর পর সাথে সাথে সেই অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেটি থানার হাতে তুলে দেন। পুলিশ সূত্রে খবর যে সেই ছেলেটি বিধাননগর সন্তোষীনি বিদ্যচক্র হাইস্কুলের ক্লাস ১০ এর ছাত্র। সেই ছেলেটি জানায় যে এই নীল তিমি খেলা সে গতকাল থেকে শুরু করেছে। এবং তাকে প্রথমে বলা হয়েছে যে একটি আলপিন তার পায়ের তালু ঢুকাতে হবে। এবং সেমতো সে করেও ফেলে। এর পর সেই অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেটির পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়। এবং বিধাননগর সন্তোষীনি হাইস্কুল এর প্রধান শিক্ষক আশীম কুমার দাস এসে তাকে এই গেম যাতে কোনভাবেই না খেলে সেই বিষয়ে বোঝায়। এর পর সেই অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেটির মোবাইল ফোন বাড়ির লোকের হাতে তুলে দেন। এবং তাকে অনেক ক্ষন বোঝানোর পর তার বাড়ির লোকজনের কাছে তুলে দেন। তবে কিন্তু এখন একটাই প্রশ্ন এই নীল তিমি খেলা অবৈধ ঘোষণা করলেও এই গেম খেলা নিয়ে কৌতুহল দেখা যাচ্ছে। কবে পুরোপুরি বন্ধ হবে। কবে বন্ধ অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেমেয়েদের প্রান নিয়ে ছিনিমিনি খেলা।

Check Also

খাগড়াগড় কান্ডে ধৃত বোহরান সেখকে নিয়ে শিমুলিয়াতে এন.আই.এ. 

Leave a Reply

Your email address will not be published.