Breaking News
Home >> Breaking News >> রোগী বাড়লেও বেড সংখ্যা হাতে গোনা মাত্র

রোগী বাড়লেও বেড সংখ্যা হাতে গোনা মাত্র

পল মৈত্র, দক্ষিণ দিনাজপুরঃ রোগীর সংখ্যা দিনদিন বাড়লেও তুলনায় বেডের সংখ্যা কম বংশীহারী ব্লকের রসিদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। ফলে চিকিৎসা করাতে আসা রোগীরা যেমন সমস্যায় পড়ছেন, তেমনই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে চিকিৎসকদেরও। রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যে বন্ধ থাকা ঘর ব্যবহার করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।রসিদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন রোগীরাদক্ষিণ দিনাজপুরে দুই মহকুমা বালুরঘাট ও গঙ্গারামপুরে রয়েছে দুটি বড় হাসপাতাল। এছাড়াও জেলার ৮টি ব্লকেই রয়েছে একটি করে গ্রামীণ হাসপাতাল। গ্রামীণ হাসপাতালগুলিতে বেডের সংখ্যা ৩০। রোগীর বাড়তি চাপে বেডের সংখ্যা বাড়িয়ে ৪৭ করেছে বংশীহারী ব্লকের রসিদপুর গ্রামীণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের অব্যবহৃত ঘরগুলিকে সংস্কার করে তা চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই হাসপাতালে বংশীহারী বাদে হরিরামপুর ও কুশমন্ডি ব্লকের রোগীরা চিকিৎসা করাতে আসেন। বেডের সংখ্যা সেই তুলনায় না বাড়লেও রোগীর চাপ বেড়ে চলায় সমস্যায় পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।বেড না থাকায় মেঝেতেই রোগীদের চিকিৎসা করতে বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্য কর্মীরা। একই ঘরে পুরুষ ও মহিলা রোগীকে রাখতেও অনেক সময় বাধ্য হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এমন অবস্থায় স্বাস্থ্য দপ্তরের কাছে আরও বেড বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।এবিষয়ে বংশীহারী ব্লকের মেডিক্যাল অফিসার তথা হাসপাতালের ইনচার্জ প্লাবন মণ্ডল জানান, হাসপাতালের বেড সংখ্যা ৩০। রোগীদের কথা মাথায় রেখে বেডের সংখ্যা করা ৪৭। যাতে রোগীদের আরওভাল পরিষেবা দেওয়া যায়। বেশকিছু বন্ধ ঘরকে সংস্কার করে তা চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে আরও বেশি বেডের প্রয়োজন। কোনও রোগীকে ভালো পরিষেবা না দিতে পারা গেলে খারাপ লাগে। মহিলাদের জন্যওবাড়তি ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”অন্যদিকে, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, শুধু রসিদপুর নয় বেশ কয়েকটি হাসপাতালের বেড বাড়ানোর চিন্তাভাবনা রয়েছে। যাতে রোগীরা আরও ভালো চিকিৎসা পান।

Check Also

জ্বলন্ত গৃহবধূ ছুটলেন রাস্তা দিয়ে 

দীপঙ্কর ভৌমিক,বারাসাত: শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারে  জ্বলন্ত গৃহবধূ ছুটলেন প্রকাশ্য  রাস্তা দিয়ে থানার উদ্দেশ্যে। নাম সোমা সিকদার, …

Leave a Reply

Your email address will not be published.