Breaking News
Home >> Breaking News >> গোল্ডেন জুবিলি তোরণ থেকে মুছে গেলো রাজ প্রতীক

গোল্ডেন জুবিলি তোরণ থেকে মুছে গেলো রাজ প্রতীক

সুপ্রকাশ চৌধুরী,স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট,বর্ধমান: বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল্ডেন জুবিলি ভবনের পাশাপাশি জিটি রোডের ধারে গোলাপবাগ মোড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে রাস্তায় ঢুকলেই সুবিশাল তোরণ নির্মাণ হচ্ছে। । প্রায় ২ কোটি টাকা খরচ করে ম্যাকিনটোশ বার্ন কম্পানিকে দিয়ে এই তোরণ তৈরি করাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।  জোরকদমে চলছিল কাজ,উপরের অংশে পড়েছিল রঙের পোঁচ। কিন্তু এক অস্বস্তিকর বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের নব স্থপতি। নির্মীয়মাণ গোল্ডেন জুবিলি তোরণের মাথায় রাজপরিবারের প্রতীক লাগানো ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। তোরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকের পরিবর্তে কেন রাজ পরিবারের প্রতীক ব্যবহার করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে।  সমালোচনা শুরু হতেই রাতারাতি ওই প্রতীক ঢেকে দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু কেন উঠলো এই প্রশ্ন ? জানা গেছে,   

১৮৬৮ সালে ভারত সম্রাজ্ঞী কোর্ট অব আর্মস সনদ দেন তত্কালীন বর্ধমানের মহারাজা মহাতাব চাঁদকে। তারপর থেকেই বর্ধমান রাজ পরিবারের নিজস্ব প্রতীক ব্যবহার শুরু হয়। কিন্তুই দেশ স্বাধীনতা লাভ করার পর সংবিধান পাশ হলে দেশের অপরাপর রাজাদের মতোই বর্ধমান মহারাজাও এই প্রতীক ব্যবহারের অধিকার হারান।প্রশ্ন উঠেছে, যেখানে বর্ধমান রাজ পরিবার এই তোরণ নির্মাণ করছে না, এমনকী অনেক আগে থেকেই এই প্রতীক ব্যবহার সংবিধান স্বীকৃত নয়, সেখানে কীভাবে নতুন এই তোরণে রাজ পরিবারের প্রতীক কেন  ব্যবহার করা হল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন তোড়নের মাথায়? বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চাননি বর্তমান উপাচার্য নিমাইচন্দ্র সাহা। বর্ধমান রাজ পরিবারের এস্টেট ম্যানেজার জয়চাঁদ মুখোপাধ্যায় জানান, ওই প্রতীক ব্যবহারের জন্য কোনও অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলেও তাঁর জানা নেই। অন্যদিকে যার আমলে এই তোড়ন নির্মান করা শুরু হয় সেই প্রাক্তন উপাচার্য ডঃ স্মৃতিকুমার সরকার বলছেন, “এটা নিয়ে কোনও বিতর্কই থাকতে পারে না। যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক রাজবাটির উত্তর ফটক নির্মাণ করা হয়েছিল, তার অনুকরণেই হুবহু ওই তোরণ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ওই প্রতীক কেন ব্যবহার করা হয়েছে সে ব্যাপারে সমস্ত কাগজপত্রই তো রয়েছে। ফলে, এনিয়ে কোনও বিতর্কই থাকতে পারে না।  
কিন্তু  তোরণ নির্মাণের কাজ শেষ হওয়া আগেই দেখা গেলো উল্টো চিত্র। বিতর্ক এড়াতে সরিয়ে নেওয়া হলো প্রতীক। গোল্ডেন জুবিলি গেটের কাজ শেষ হওয়ার মুখে , চলছে রঙের কাজ । আর রঙের সময় দেখা গেলো বিতর্কিত প্রতিকের কোন চিহ্ন আর নেই। তাহলেই কি রাজ পরিবারের আপত্তিকেই সিলমোহর। এই বিষয়ে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বিশ্ব বিদ্যালয়য়ের তরফে। 

Check Also

লিলুয়ায় গুলি চালানোর ঘটনার তদন্তে একাধিক প্রশ্নের সম্মুখীন পুলিশ

কল্যাণ অধিকারী, স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট, হাওড়া: লিলুয়া দম্পতির মৃত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তে নেমে লিলুয়া থানার …

Leave a Reply

Your email address will not be published.