Breaking News
Home >> Breaking News >> কমিটির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত আরও তিন মাদ্রাসা শিক্ষক বরখাস্ত

কমিটির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত আরও তিন মাদ্রাসা শিক্ষক বরখাস্ত

জুহাই সেখ: গত বছর ১৪ মার্চ সুপ্রিমকোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের উপর স্হগিতাদেশ দেয়।পরবর্তীকালে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটিগুলি সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ কে অমান্য করে মাদ্রাসাগুলি ম্যানেজিং কমিটি ১০% ম্যানেজমেন্ট কোটায় নিয়োগ করছিল। এই সব শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অবৈধ ঘোষণা করে মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর জানায়-এদের কারুর বয়স পার হয়ে গেছে, কারুর ডিগ্ৰী জাল-এককথায় অযোগ্য।আবার নিয়োগ প্রক্রিয়ায়ও অনেক অনিয়ম করা হয়েছে । তাদের নাকি ১০% ম‍্যানেজমেন্ট কোটায় নিয়োগ করা হয়েছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধির্কতা অবশেষে বিজ্ঞপ্তি জারি করে (Memo-824(94)-ME,dt 02.05.2017 of DME,WB)সমস্ত জেলার ডি,আই দের জানিয়ে দেন,যাতে কোন মাদ্রাসার কমিটিগুলি চোরাপথে শিক্ষক নিয়োগ না করে,এরপরেও যদি কোন ম্যানেজিং কমিটি সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশ আমান্য করে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারের তরফে আদালত অবমাননার দায়ের সুপ্রিমকোর্টে মামলা করা হবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেয় সংখ্যালুঘু দপ্তর।

সরকারি নিয়মকে সম্পূর্ন অগ্রাহ্য পশ্চিমবঙ্গে কয়েকটা মাদ্রাসা ভুঁড়তে শিক্ষক নিয়োগ করে, এদেরকে ভুঁড়তে বলার তাৎপর্য,এদের মাদ্রাসা ছাত্র ছাত্রীরা কোন দিন দেখতে পান না এমনকি তাঁদের সহকর্মীরাও কখনও দেখেনি অথচ কাগজ কলমে নাম অন্তভুক্ত।এমনই দীর্ঘ ৩৯ জনের তালিকা প্রকাশ পেয়েছে কয়েকদিন।

সেই তালিকায় আরও নতুন করে তিনজন শিক্ষক যুক্ত হলেন।।ইনারা হলেন বীরভূম জেলার মেটেকোনা মৌ:আবু তাহের সিনিয়ার মাদ্রাসা। শিক্ষক তিনজন হলেন-মহ:খয়রুল আনম,সেখ মুস্তাক আলি,রিয়াজউদ্দিন।এই তিন শিক্ষক কাগজ পত্র বীরভূম ডি,আই অফিসে অ্যাপ্রুভয়াল জন্য জমা ২০১৭ মার্চ মাসে, অথচ চাকুরি জয়েন্ট ডেট হলো10/12/2015.

এখানে প্রশ্নের দানা বাঁধছে প্রায় ১৫ মাস বাদে কাগজ দিবার প্রয়োজন বোধ হলে????ডি,আই সমস্ত তদন্ত করে (Memo No 3506/G,date 21/07/17)ঐ তিন শিক্ষকের চাকুরি বাতিল করল।প্রসঙ্গগত মাদ্রাসার সারভিস কমিসনের অ্যাক্টের বৈধ্যতা, নিয়োগ কে করবে এই সংক্রান্ত মামলা চলছে সুপ্রিমকোর্টে।

অবৈধ নিয়োগ সংক্রান্ত প্রসঙ্গে বেঙ্গল মাদ্রাসা এডুকেশনের রাজ্য সভাপতি ইসরারুল হক মন্ডল জানান-“সুপ্রিমকোর্ট কমিসনের অ্যাক্টের বৈধ্যতা নিয়ে বিচারাধীন, কমিসনের নিষ্ক্রিয়তা,কমিটির মাধ্যমে জালিয়াতি কোর্টের বিচারধীন নয়,এটা সম্পূর্ন রাজ্য সরকারে এক্তিয়ারে।কোর্ট তার অবস্হান শুনানিতে স্পষ্ট করে দেয়,যে কোন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জালিয়াতি ভাবে নিয়োগ করবে তা সংবিধানে সংখ্যালুঘু ধারায় স্বীকৃতি নয়।

সুতারাং অামরা রাজ্য সরকারে দাবী করছি অারও ৭০ জন অবৈধ্য শিক্ষক কে দ্রুত অপসারন করা হোক”।

Check Also

দিনহাটা থেকে উত্তরবঙ্গ, প্যাসেঞ্জার ট্রেন চালুর দাবিতে স্মারকলিপি তৃণমূলের 

মনিরুল হক,স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট, কোচবিহার : উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস সহ একাধিক প্যাসেঞ্জার ট্রেন পুনরায় চালুর দাবি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.